জমির মালিক চুক্তিপত্রের ১৫ লাখ টাকা ফেরত দিতে টালবাহানার পাশাপাশি চা বাগানের পাতা তুলতে বাধা প্রদান করছে। পাতা তুলতে গেলে মামলার ভয়ভীতি ও বিভিন্ন হুমকি ধামকিও দিচ্ছে। এমন অবস্থায় অসহায় হয়ে পড়েছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের জোতসাওদা গ্রামের সাব্বির হোসেন। তিনি শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। তিনি প্রশাসন সহ সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন-এ বিষয়ে গত ২রা এপ্রিল পঞ্চগড় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি বরাবরে লিখিতভাবে অভিযোগ করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সাব্বির বলেন-পঞ্চগড় পৌরসভাধীন নতুনবস্তি (রাজনগর) এলাকার আনোয়ার হোসেন ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে তার ইসলামপুর মৌজার ৩৩৩ শতক জমির উপর করা চা বাগান বন্ধক দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে আলোচনা সাপেক্ষে তিন বছরের জন্য ২০২৩ সালের ১৩ই মার্চ ১৫ লাখ টাকার চুক্তিতে বাগানটির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্র স্বাক্ষর হয়। পরে গত ১২ই মার্চ চা বাগান চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষ হয়। এরপর গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও জামানতের ১৫ লাখ টাকা ফেরত দেননি। টাকা প্রদানে টালবাহানাসহ বাগান থেকে পাতা তুলতে বাধা প্রদান করছে। ইতিপূর্বে কয়েকবার আপস মীমাংসায় বসা হলেও কোনো সিদ্ধান্ত মানেননি। গত ২৮শে মার্চ সকালে সাব্বির পাওনা টাকা চাইতে যান। কিন্তু আনোয়ার টাকা দিতে অস্বীকার করে বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করেন। অভিযুক্ত আনোয়ার দাবি করে বলেন, চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে বাগানের ক্ষতি করেছেন সাব্বির। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।
চুক্তিপত্রের টাকা ফেরত না দিয়ে মামলায় ফাঁসানোসহ হুমকি
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
৪ এপ্রিল (শনিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
