বাংলাদেশ ও ভারত ফাইনাল আজ

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ

বাংলাদেশ ও ভারত ফাইনাল আজ

ফন্ট সাইজ:

সাফের বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টের আরেকটি ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। মালেতে আজ সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে শিরোপার লড়াইয়ে নামবে দু’দল। ম্যাচ শুরু রাত ৯টায়। ২০২২ সালে ভারতের কাছে হেরে এই টুর্নামেন্টের শিরোপা হাতছাড়া হয় বাংলাদেশের। এরপর ২০২৪ সালে নেপালকে হারিয়ে শিরোপা উৎসব করে বাংলাদেশ। এবার ভারতকে হারালে সাফের মঞ্চে অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ে দ্বিতীয়বার শিরোপা জেতা হবে লাল-সবুজ প্রতিনিধিদের। প্রতিপক্ষ ভারতের সামনেও একই সমীকরণ। বাংলাদেশকে হারালে দ্বিতীয়বারের মতো অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ে শিরোপা জিতবে তারা।
গ্রুপপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারানোর পর দ্বিতীয় ম্যাচে ‘বি’ গ্রুপসেরা হওয়ার লড়াইয়ে ভারতের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে বিশাল যাদবের হেডে প্রথমে লিড নেয় ভারত। বিরতিতে যাওয়ার আগ মুহূর্তে বাংলাদেশকে সমতায় ফেরান রিয়াদ ফাহিম। সেই ম্যাচে ভারতের গোলকিপিং কোচ সন্দীপ নন্দীর সঙ্গে তর্কে জড়ান বাংলাদেশের আইরিশ কোচ মার্ক কক্স। পরে দুজনকেই লাল কার্ড দেখান রেফারি। কার্ডের কারণে সেমিফাইনালে এই দুজনের কেউ ডাগআউটে দাঁড়াতে পারেননি। ফাইনালে দুই কোচই ডাগআউটে ফিরছেন। এর আগে সেমিফাইনালে নেপালকে ১-০ গোলে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ। আর ভুটানকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করে ফাইনালে পা রাখে ভারত।
গত বছর সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে বাংলাদেশকে হারায় ভারত। সেই সুখস্মৃতি নিয়ে ফাইনাল খেলতে নামলেও বাংলাদেশকে সহজভাবে নিচ্ছে না দলটি। ফাইনালের আগে ভারতের কোচ মহেশ গাউলি বলেন, ‘এটা সহজ (ফাইনাল জেতা) হবে না। বাংলাদেশ আক্রমণাত্মক এবং প্রতিভাবান দল। এটি আমাদের জন্য কঠিন একটি ম্যাচ হতে যাচ্ছে। তাছাড়া, স্টেডিয়ামে তাদের (বাংলাদেশের) জন্য প্রচুর সমর্থন থাকবে। আমাদের ছেলেরা অবশ্য এতে অভ্যস্ত। আমাদের শুধু মাঠে পারফর্ম করতে হবে। আমরা আমাদের লক্ষ্য এবং পারফরম্যান্সের দিকেই মনোনিবেশ করবো।’ ভারতের আক্রমণে মূল ভরসা ওমাং ডডুম। ৩ গোল করে যিনি এই টুর্নামেন্টে যৌথ সর্বোচ্চ গোলদাতা। বিশাল যাদব এবং রোহেন সিং চাপহামায়ুম দুটি করে গোল করেছেন। এই তিনজন ফাইনালে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন।
অন্যদিকে বাংলাদেশের আক্রমণে মূল ভরসা যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী রোনান সুলিভান। পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি জোড়া গোল করেন। ভারতের বিপক্ষে সমতাসূচক গোলে ভূমিকা রাখেন রোনান। সেমিফাইনালে দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে নেমে তার ভাই ডেক্লান সুলিভানও মুন্সিয়ানা দেখান। এর বাইরে ফরোয়ার্ড মোরশেদ আলীও ফাইনালের জন্য প্রস্তুত।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন