জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি নেই, মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি নেই, মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

ফন্ট সাইজ:

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো ধরনের সংকট নেই বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সার্বিক জ্বালানির পরিস্থিতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা রুখতে মজুতদারদের বিরুদ্ধে বা অবৈধভাবে জ্বালানি মজুত করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

যুগ্মসচিব বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু সরবরাহ চুক্তি ‘ফোর্স মেজর’-এর আওতায় পড়লেও বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে এরইমধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি রয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুত সরবরাহ শুরু হবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের জ্বালানি আমদানি ও পরিশোধন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে ক্রুড অয়েল পরিশোধন কার্যক্রমও চলমান আছে। ফলে জ্বালানি সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই।

মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার এরইমধ্যে কঠোর বার্তা দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান চলছে। কেউ অবৈধভাবে জ্বালানি মজুত করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, উদ্ধার করা জ্বালানি তেল স্থানীয় খোলা বাজারে বিদ্যমান দামে বিক্রি করা হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি এর সুবিধা পায়।
কৃষকদের ডিজেল প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে কি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানতে চাইলে এই মুখপাত্র বলেন, জেলা প্রশাসন ও কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের তালিকা অনুযায়ী ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। কোনো কৃষক যাতে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রয়েছে।

ফিলিং স্টেশনে ভিআইপিদের অগ্রাধিকার দেয়ার অভিযোগ উঠছে এমন প্রশ্নের জবাবে যুগ্মসচিব বলেন, এ ধরনের কোনো নির্দেশনা বা সুযোগ নেই। সবাইকে সমানভাবে জ্বালানি সরবরাহের নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

জ্বালানি সাশ্রয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলেন, বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সরকার এরইমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। একইসঙ্গে ব্যক্তি পর্যায়েও সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা, তাই সম্মিলিতভাবে সাশ্রয়ী আচরণই এর উত্তরণের প্রধান উপায়।

বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সরবরাহ আগের থেকে বাড়ানো হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সরবরাহ চাহিদা অনুযায়ী সমন্বয়ের মাধ্যমে দেয়া হচ্ছে এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চলছে।
নতুন কোন কোন উৎস থেকে জ্বালানি তেল আমদানি করা হবে জানতে চাইলে যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহ আরও স্থিতিশীল করতে মধ্য এশিয়ার উজবেকিস্তান ও কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন নতুন উৎস থেকে আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি সিঙ্গাপুরসহ আঞ্চলিক বাজার থেকেও জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

Andalib

২ মাস আগে

Government should double or triple the price of Octane and withdraw the limit of 20 litres.
The long que will drastically become short. Those who can afford will buy Octane at high price as much as they can and those who can't afford will not use their cars and use alternate transport or go for ride sharing.
Some people in between might only use the cars when it is absolutely necessary.
Giving subsidy for Octane at this moment is nothing but a crime.

মন্তব্য করুন