সিরাজগঞ্জে ২১ শিশুর শরীরে হাম উপসর্গ, বাড়ি ফিরেছে ১৪ জন

সিরাজগঞ্জে ২১ শিশুর শরীরে হাম উপসর্গ, বাড়ি ফিরেছে ১৪ জন

ফন্ট সাইজ:

সিরাজগঞ্জে গত তিনদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ২১ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এরমধ্যে ১৪ জন শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বাকি ৬ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এসব শিশুরা জ্বর, ঠাণ্ডা, কাশি ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত। শরীরে ফোঁটা ফোঁটা র?্যাশও রয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির মানবজমিনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত তিনদিনে জেলায় মোট ২১ জন শিশু শরীরে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। এরমধ্যে ১৪ জনই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। আর শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজন, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে দু’জন ও উল্লাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দু’জন ভর্তি রয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, টিকাদান কর্মসূচির ঘাটতি, সচেতনতার অভাব ও সময়মতো চিকিৎসা না নেয়াই সংক্রমণ বাড়ার অন্যতম কারণ। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় অনেক শিশু এখনো নিয়মিত টিকার আওতায় আসছে না। হামের উপসর্গ দেখা দেয়ার পরও প্রথমে গুরুত্ব না দেয়ায় হঠাৎ এমন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কথা হয় সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. মো. নূরুল আমীনের সঙ্গে। তিনি মানবজমিনকে বলেন, জেলায় হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ২১জন শিশুর মধ্যে ১৪ জনই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বাকি ৬ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে অনেকটাই সুস্থ। জেলায় এখন পর্যন্ত কোনো শিশু হামে মারা যায়নি। তিনি আরও জানান, হাম হলো ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত একটি রোগ। এ রোগ প্রতিরোধে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের দুবার ‘এমআর’ (মিজলস রুবেলা) টিকা দেয়া হয়। একবার ৯ মাস বয়সে আর দ্বিতীয়টি ১৫ মাস বয়সে। এই দুই ডোজ টিকা নিলে সারা জীবনের জন্য হাম থেকে মুক্ত থাকা যায়। এই টিকা যেসব শিশুরা এখনো দেয়নি, আমরা মাঠ পর্যায়ে ক্যাম্পেইন করে সেটা প্রদান করছি।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন