চলমান যুদ্ধের মধ্যেও রেকর্ড সংখ্যক টুরিস্ট এসেছে মালয়েশিয়ায়

চলমান যুদ্ধের মধ্যেও রেকর্ড সংখ্যক টুরিস্ট এসেছে মালয়েশিয়ায়

ফন্ট সাইজ:

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি অস্থিরতার মধ্যেও মালয়েশিয়ায় টুরিস্ট এসেছে ২৮ লাখ ৩৫ হাজার ৭২৪ জন, যেখানে গত বছরের একই সময়ে ২৭ লাখ ৬৯ হাজার ৩০৫ জনের তুলনায় ২.৪ শতাংশ বেশি। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও দেশটির পর্যটন খাতের স্থিতিশীলতা এই রেকর্ডও ভেঙেছে বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়ার পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতি মন্ত্রী তিয়ং কিং সিং।

দেশটির দ্য স্টার অনলাইন জানিয়েছে, আসিয়ান অঞ্চল থেকেই সবচেয়ে বেশি টুরিস্ট এসেছে—২০ লাখ ৯৩ হাজার ৯৬ জন, যা বছরওয়ারি হিসেবে ০.৬ শতাংশ বৃদ্ধি। পূর্ব এশিয়া থেকেও শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে; এ অঞ্চল থেকে এসেছে ৪ লাখ ৭ হাজার ১৭১ জন, যা ১২.৮ শতাংশ বেশি। বিশেষ করে চীন থেকে টুরিস্ট আসার ২২.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এছাড়া দক্ষিণ এশিয়া থেকে টুরিস্ট এসেছে ১ লাখ ২৩ হাজার ২৭০ জন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সামান্য ০.৪ শতাংশ কম। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে টুরিস্ট আসা উল্লেখযোগ্যভাবে ৪০.৩ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৩৯৮ জনে নেমে এসেছে, যা চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে। তবে বাংলাদেশ থেকে কতজন টুরিস্ট এসেছে তার কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি দেশটি।

এদিকে মধ্য এশিয়া থেকে ৬ হাজার ৫৬৯ জন পর্যটক এসেছে, যা মার্চ ২০২৫-এর তুলনায় ২১ শতাংশ বেশি। ইউরোপ থেকে এসেছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৮২৪ জন (৫.২ শতাংশ বৃদ্ধি)। ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে ৩৩ হাজার ১২৭ জন এসেছে, যা ২০.২ শতাংশ বেশি। আফ্রিকা থেকে টুরিস্ট এসেছে ৭ হাজার ১৬৫ জন, যা ৭.৫ শতাংশ কম। আমেরিকা অঞ্চল থেকে প্রায় ৩৬ হাজার ৯৯ জন এসেছে, যা ০.৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

স্টার অনলাইন জানিয়েছে, মন্ত্রী তিয়ং কিং সিং বলেছেন, বাজারে কিছুটা প্রভাব পড়লেও এশিয়া ও আসিয়ান অঞ্চলের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির কারণে মালয়েশিয়ার পর্যটন খাত স্থিতিশীল রয়েছে। তবে মালয়েশিয়া একটি নিরাপদ, স্থিতিশীল ও অতিথিপরায়ণ গন্তব্য হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে। জ্বালানি ও ডিজেল ব্যয়ের চাপসহ পরিচালনাগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মন্ত্রণালয় শিল্প সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে বলেও জানিয়েছে মন্ত্রী।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন