টিকা কেনায় গাফিলতি ছিল

সহযোগীদের খবর

টিকা কেনায় গাফিলতি ছিল

ফন্ট সাইজ:

প্রথম আলো

দৈনিক প্রথম আলোর প্রথম পাতার শিরোনাম ‘টিকা কেনায় গাফিলতি ছিল।’ প্রতিবেদনে বলা হয়, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নেওয়া কিছু সিদ্ধান্ত সব ধরনের টিকা কেনায় বিলম্ব ঘটিয়েছে।
সম্প্রতি হাম-রুবেলার টিকা পেয়েছে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)।
ইপিআই কর্মকর্তারা বলেছেন, হাম-রুবেলার জাতীয় ক্যাম্পেইনের টিকা হাতে এসেছে, সিরিঞ্জ আসেনি। দেশব্যাপী ক্যাম্পেইন শুরু করতে দেড়-দুই মাস সময় লেগে যাবে।
শিশুদের নিয়মিত টিকা দেওয়া নিশ্চিত না করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং দাতা সংস্থা সময় ব্যয় করেছে টিকা কেনার প্রক্রিয়া কী হবে, তা ঠিক করতে।
সরকার সরাসরি টিকা কিনবে নাকি ইউনিসেফের সহায়তা নেবে, আর্থিক লাভ-লোকসান কী হবে-এসব নিয়ে। এতে টিকার মজুত ফুরিয়েছে।
জাতীয় ক্যাম্পেইনের সময় পেছাতে হয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা কিনতে এটা আসলে গাফিলতি।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন বিলম্ব না করে সরকারের ত্বরিত কর্মসূচি হাতে নেওয়া উচিত।
গুরুত্ব না দিলে হাম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আছে। একজন রোগী ১৬ থেকে ১৮ জনের মধ্যে হাম ছড়াতে পারে।
যুগান্তর
দৈনিক যুগান্তরের প্রথম পাতার শিরোনাম ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ ইস্যু: সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে তুমুল বিতর্ক।’ প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশের ওপর সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার ইস্যুতে জাতীয় সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক হয়েছে।
এ আদেশকে অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সরকারি দল বলেছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের কোনো সুযোগ নেই। অপরদিকে বিরোধীদলীয় সংসদ-সদস্যরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে ধারণ করে তা বাস্তবায়নের দাবি জানান।
সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান নিয়ে সংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
স্পিকারকে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সংসদে যে আলোচনা হয়েছে, আপনি উত্তম মনে করলে তার ওপর একটি কমিটি গঠন করতে পারেন। তবে সেখানে দুদিক থেকে সমানসংখ্যক সদস্য থাকতে হবে। না হলে এখানে যেমন বিতর্ক হচ্ছে সেখানেও তাই হবে।
অপরদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংবিধান সংশোধনে সর্বদলীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। সংসদ নেতার পক্ষে তিনি এই প্রস্তাব দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।
তবে, স্পিকারের তরফ থেকে কোনো প্রস্তাবের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসেনি।

আজকের পত্রিকা

দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম ‘মজুত পর্যাপ্ত , দাম বাড়ছে না।’ প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে বলে জানিয়েছে সরকার। ফলে তেলের দাম চলতি মাসে বাড়ানো হয়নি। এতে আপাতত একধরনের স্বস্তি পাবেন গ্রাহকেরা।
কিন্তু সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় তেলের জন্য দৌড়ঝাঁপ কাটছে না কোনোমতেই। যদিও মজুতদারি বন্ধে প্রশাসনিক তৎপরতা এবং আমদানির জন্য বাড়তি উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গতকাল মঙ্গলবার জানানো হয়, এপ্রিল মাসে সরকার পেট্রল, অকটেন, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বাড়াচ্ছে না। বিশ্ববাজারে দাম বাড়লেও আগের দামেই বিক্রি হবে।
জ্বালানি বিভাগ থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যানকে পাঠানো অফিস আদেশে জানানো হয়, ভোক্তাপর্যায়ে ডিজেলের বর্তমান মূল্য প্রতি লিটার ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রল ১১৬ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ১ এপ্রিল থেকে এই মূল্যই কার্যকর থাকবে।

বণিক বার্তা
দৈনিক বণিক বার্তার প্রথম পাতরে শিরোনাম ‘বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভ নেমেছে ৩.৮০ বিলিয়ন ডলারে।’ প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের রফতানি খাত নেতিবাচক ধারায় রয়েছে, পাশাপাশি আমদানিতেও উল্লেখযোগ্য কোনো প্রবৃদ্ধি নেই। এমন পরিস্থিতিতে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স প্রবাহ থাকা সত্ত্বেও দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিদেশী হিসাবে (নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট) ডলারের স্থিতি কমে গেছে।
ব্যাংকগুলোর নেট ওপেন পজিশন (এনওপি) অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়ায় ৩৮০ কোটি বা ৩ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলারে। অথচ গত অর্থবছরের শুরুতে ছিল ৬ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ অল্প সময়ের ব্যবধানে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ডলার ধারণক্ষমতা প্রায় অর্ধেকে নেমেছে।
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গণনার ক্ষেত্রে নস্ট্রো হিসাবের ডেবিট ব্যালান্স এবং অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের (ওবিইউ) বিনিয়োগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
সর্বশেষ ২৬ ফেব্রুয়ারি এনওপি ভিত্তিতে এ রিজার্ভের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ব্যাংকগুলোর ডলার ধারণের যে পরিমাণ উঠে এসেছে, সেটিকে অর্থনীতির দুর্বল দিক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


বাংলাদেশ প্রতিদিন

বাংলাদেশ প্রতিদিনের শিরোনাম 'মইন উকে রাষ্ট্রপতি করার শর্তে রাজি হন শেখ হাসিনা' । খবরে বলা হয়, 
সাবেক সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদকে রাষ্ট্রপতি করার শর্তে রাজি হন শেখ হাসিনা। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যাবতীয় কর্মকাণ্ড বৈধতা দেওয়ার বিষয়েও একমত পোষণ করেন তিনি। এ ব্যাপারে রাজধানীর একটি আবাসিক এলাকার সেফহোমে কারাবন্দি শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকেও অংশ নেন মইন উ আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তিনজন সদস্য, একটি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্তাব্যক্তি। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে রিমান্ডে থাকা সাবেক দুই লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও শেখ মামুন খালেদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে এসব বিষয় জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র বলছেন, শুধু দুই বছর নয়, মাইনাস টু ফর্মুলার মাধ্যমে অন্তত টানা ১০ বছরের ক্ষমতায় থাকার টার্গেট ছিল ওয়ান-ইলেভেন কুশীলবদের। সে পথেই এগোচ্ছিলেন তাঁরা। তবে অতিমাত্রায় দমনপীড়ন, রাজনীতিবিদদের চরিত্রহনন, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অস্ত্রের মুখে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার একের পর এক ঘটনায় দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যেতে থাকে কলকারখানা। সবশেষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের সঙ্গে সেনাসদস্যদের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় কুশীলবদের সব স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায়।

লে. জেনারেল মামুন খালেদের দেওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেনের পুরোটা সময় শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের পার্ট দেখভাল করতেন মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আমিন। বিএনপির অংশ দেখতেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ফজলুল বারী। শুরুর চার-পাঁচ মাস এভাবে চললেও একপর্যায়ে সবকিছুই সমন্বয় করতে শুরু করেন এ টি এম আমিন। গুরুত্বহীন হয়ে পড়েন বারী। শেখ হাসিনাও তাঁর কমিটমেন্ট থেকে সরে যান। তবে সেইফ এক্সিট দেন মইন উ আহমেদকে।’

সূত্র বলছেন, ওয়ান-ইলেভেন শুরুর কিছুদিন পরই এ টি এম আমিনের হয়ে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন শুরু করেন মামুন খালেদ। বাড়ি গোপালগঞ্জ হওয়ায় শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন। মামুনের হয়ে কাজ করতেন লে. কর্নেল (বরখাস্ত) আবজাল নাছের। তবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তিনি চাকরি থেকে বহিষ্কৃত হন। পরে নিজেকে আওয়ামী লীগ প্রমাণে উঠেপড়ে লাগেন আবজাল। বেগম খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা না দেওয়ার নেপথ্যেও অগ্রণী ভূমিকা রাখেন।

অন্যদিকে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় নিয়ে আসার জন্য মামুন খালেদ তাঁর ওপর অর্পিত বিশেষ অ্যাসাইনমেন্ট সুচারুভাবে বাস্তবায়নও করেন। প্রতিদান হিসেবে ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক হন তিনি। বিডিআর হত্যাকাণ্ডসহ অনেক ঘটনায় নেপথ্য নায়কের ভূমিকা পালন করেন। যাবতীয় শর্ত চূড়ান্ত করার জন্য নির্বাচনের তিন মাস আগে সংসদ ভবন এলাকার বিশেষ জেল থেকে শেখ হাসিনাকে বের করে নেওয়া হয় সন্ধ্যা ৭টার দিকে। টানা আড়াই ঘণ্টা বৈঠক এ টি এম আমিন পরিচালনা করলেও বিশেষ ভূমিকা রাখেন মামুন খালেদ। রাত সাড়ে ১০টার দিকে শেখ হাসিনাকে পুনরায় রেখে আসা হয় সাবজেলে।

সূত্র আরও বলছেন, ওয়ান-ইলেভেনে মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আমিনের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন তৎকালীন মেজর সুলতানুজ্জামান সালেহ। শুরুতে তাঁকে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরে (ডিজিএফআই) অ্যাটাচমেন্টে নিয়ে আসেন মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আমিন। ‘জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল’-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখা হয়। তিনি সারা দেশে ব্যাটালিয়ন অধিনায়কদের সঙ্গে অপারেশন সমন্বয় করতেন। অনেক ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও সমন্বয় করতেন তিনি। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর তিনি ডিজিএফআইতে সিটিআইবির কর্নেল ‘জিএস’ হিসেবে পদোন্নতি পান। সবশেষ মেজর জেনারেল হয়ে অবসরে যান। ইভিএম কেলেঙ্কারিসহ নানান গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে সালেহর বিরুদ্ধে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্মকমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনো খোলাসা হয়নি। এজন্য জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের নির্দেশে মামুন খালেদকে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, আবজাল নাছের দেশের অনেক কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সাক্ষী ছিলেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে।’

ফের রিমান্ডে মামুন খালেদ : বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকেন্দ্রিক রাজধানীর মিরপুর থানার দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের ফের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল এ মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাঁকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিলপূর্বক জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মো. জুয়েল রানা ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে সাবেক এই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন তাঁর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।


দেশ রূপান্তর
দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার শিরোনাম ‘জ্বালানি সাশ্রয় শুধু মুখেই।’ প্রতিবেদনে বলা হয়।’ প্রতিবেদনে বলা হয়, জ্বালানি সাশ্রয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নানা উদ্যোগ নিলেও এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো বেশ পিছিয়ে। যদিও সরকার কিছু উদ্যোগের ঘোষণা দিলেও তা বাস্তবায়নের নজির খুব একটা চোখে পড়ছে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি সাশ্রয় মানে শুধু খরচ কমানো নয়, এটি বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চয়, পরিবেশ সুরক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। জ্বালানি অপচয়ের পেছনে কয়েকটি কাঠামোগত সমস্যা রয়েছে।
এর মধ্যে সচেতনতার অভাব, সংকটকালীন নির্দেশনাগুলো দীর্ঘমেয়াদি নীতিতে রূপ না নেওয়া, শিল্প ও প্রতিষ্ঠানে পুরনো এবং অদক্ষ যন্ত্রপাতির ব্যবহার, সরকারি নজরদারির দুর্বলতা উল্লেখযোগ্য।
দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত ক্রমেই আমদানিনির্ভর হয়ে ওঠার কারণে একদিকে যেমন ঝুঁকি বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে আমদানি ব্যয়। অতিরিক্ত ব্যয় সামলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে সরকার।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন