পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসান

ফন্ট সাইজ:

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের কার্যক্রম চলমান ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) শফিকুল ইসলাম মানবজমিনকে বলেন, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের পদত্যাগপত্রটি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে গতকাল সোমবার রাষ্ট্রপতি বরাবর পাঠানো হয়।
দুর্নীতি, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক অভিযোগ করে বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে এই আবেদন করেন। আবেদনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধের পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধানের আওতায় এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ারও সুপারিশ চাওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দু’টি কোম্পানি মামলার কার্যধারায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। এক মামলায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী উপস্থিত না থাকলেও রায়ে তার নামে যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়, যা পরে আপিল বিভাগে বাতিল হয়। অন্য মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষ না করেই তার শেয়ার বাতিল হয়, যা আবেদনকারীর দৃষ্টিতে ন্যায়বিচারের নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি বলে উল্লেখ করা হয়।
সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৫ সালে জেলা আদালতের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন রেজাউল হাসান। ১৯৮৯ সালে হাইকোর্ট বিভাগের এবং ২০০৪ সালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি। ২০০৯ সালের ৩০শে জুন হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান রেজাউল হাসান। ২০১১ সালের ৬ই জুন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন