জ্বালানি পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে অনলাইন ও অফলাইনে সমন্বিত (ব্লেন্ডেড) পদ্ধতিতে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর চিন্তা করছে সরকার। এ বিষয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা চলছে। শিগগিরই মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রোজার ছুটি, বিভিন্ন আন্দোলন এবং অন্যান্য কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদানের সময়সূচিতে বিঘ্ন ঘটেছে। এ ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সপ্তাহে পাঁচ দিনের পরিবর্তে ছয় দিন ক্লাস চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে অনলাইন শিক্ষাকে আরও গুরুত্ব দিয়ে কিছু ক্লাস ভার্চুয়ালি নেয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি বলেন, একটি জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৫৫ শতাংশ শিক্ষার্থী ও অভিভাবক আংশিক অনলাইন শিক্ষার পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে সম্পূর্ণ অনলাইন শিক্ষা চালু করা হলে শিক্ষার্থীরা সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে- বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছেন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী বৃহস্পতিবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে এবং সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
এহসানুল হক মিলন বলেন, প্রাথমিকভাবে স্কুল পর্যায়ে এ পদ্ধতি চালুর বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও কলেজ পর্যায়েও তা প্রযোজ্য হতে পারে কিনা, সে বিষয়েও আলোচনা চলছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আপাতত ভিন্ন ব্যবস্থাপনা থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
তিনি বলেন, বিশেষ করে মহানগরীগুলোতে ট্রাফিক জট, জ্বালানি সংকট এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাব মোকাবিলায় বিকল্প ব্যবস্থাও ভাবা হচ্ছে। এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য বাস সার্ভিস চালু, বৈদ্যুতিক বাস, মেট্রো ও সৌরশক্তিচালিত পরিবহন ব্যবস্থার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।

Abdul Matin Sikder
২ মাস আগেযুগের ব্যাপক চাহিদাসম্পন্ন খুব ভালো একটি সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে আমাদের সরকার, শুনে খুব ভালো লাগতেছে। দুর্ঘটনাপ্রবন এই বিশ্বে আমরা এমন শিক্ষা ব্যাবস্থা চাই কোন ছাত্র ক্লাসে যেতে না পারলেও যেন সারা বছরের ক্লাসের ভিডিও অনলাইনে ধারন করা থাকে। এতে করে ছাত্ররা নিজের ফোন দিয়ে বারবার ঐ ক্লাসের বিষয়বস্তু দেখতে পারবে শিখতে পারবে, কোন বাধা আর থাকবেনা। এই সিষ্টেমের শিক্ষা ব্যাবস্থা চালু হলে গরিব ধনীর ভেদাভেদ যেমন কমে আসবে, তেমনি কোচিং ব্যাবসায়ী প্রশ্ন ফাঁসকারী শিক্ষাখাতের অপরাধী গুপ্তদের দৌড়াত্ব্য অনেকটাই কমে যাবে।