যুগান্তর
দৈনিক যুগান্তরের প্রথম পাতার শিরোনাম ‘কয়েক ধাপে কৃচ্ছ্রসাধনে সরকার; জ্বালানির চাপ সামলাতে নানামুখী উদ্যোগ’। প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে দেশের জ্বালানি খাতে তৈরি হওয়া চাপ সামলাতে একগুচ্ছ সাশ্রয়ী পদক্ষেপ বা কৃচ্ছ্রসাধন কর্মসূচি নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে-সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, কর্মকর্তাদের জন্য ওয়ার্ক ফ্রম হোম বা ঘরে বসে কাজ করার সুযোগ। এমনকি অফিসের সময়সূচিতেও পরিবর্তন আনা হতে পারে। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। খবর সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রের।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের চড়া মূল্য, আমদানিতে বাড়তি খরচ ও ডলার সংকটের কারণে সরকার কৃচ্ছ সাধনের পথে হাঁটার চিন্তা করছে। আলোচনায় থাকা অন্তত আটটি পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে-সাপ্তাহিক ছুটিতে বাড়তি এক দিন যোগ করা অথবা কর্মকর্তাদের সপ্তাহে দু’দিন ঘরে বসে কাজ করার সুযোগ দেওয়া। এ ছাড়া অফিসের কাজ দ্রুত শুরু করা অথবা কাজের মোট সময় কমিয়ে আনার প্রস্তাবও রয়েছে। বিদ্যুৎ খরচ কমাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সপ্তাহের অর্ধেক ক্লাস অনলাইনে নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। তবে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মন্ত্রিসভার বৈঠকে ঠিক করা হবে কোন পদক্ষেপগুলো জরুরি ভিত্তিতে নেওয়া হবে।
জানা গেছে, জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতেও বিশেষ নজর দিচ্ছে সরকার। অপ্রয়োজনীয় সরকারি ঋণ পরিহার করা ও কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাবও রয়েছে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বিবেচনায়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা জানান, সব সরকারি সংস্থাকে জ্বালানি সাশ্রয়ের বিষয়ে নিজস্ব প্রস্তাব তৈরি করতে বলা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব প্রস্তাবনা উপস্থাপন করার কথা রয়েছে। এদিকে, ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে আপাতত তিন মাসের একটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে পরিস্থিতি আরও জটিল হলে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলে যাবে সরকার।
তবে তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে সরকার এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চাচ্ছে না। ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা ছয় মাস বা এক বছর মেয়াদি পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে আমাদের স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপের বাইরেও চিন্তা করতে হবে। বেশ কিছু মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে তাদের নিজস্ব কৃচ্ছ্রসাধনমূলক ব্যবস্থার খসড়া তৈরি শুরু করেছে।
জ্বালানি মজুতদারি রোধে গত কয়েক দিনে সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, চাপ কমাতে চাহিদাপক্ষও নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন হতে পারে। চাহিদাপক্ষ নিয়ন্ত্রণ বা ডিএসএম হলো ইউটিলিটি-চালিত এমন কিছু কৌশল, যার লক্ষ্য বিদ্যুৎ ব্যবহারের ধরনকে কমানো, সরিয়ে নেওয়া বা প্রভাবিত করা, বিশেষ করে যখন বিদ্যুতের চাহিদা তুঙ্গে থাকে।
সরকারের আশু পদক্ষেপের বিষয়ে কথা বলার জন্য যোগাযোগ করা কর্মকর্তাদের কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে বা নাম প্রকাশ করে কথা বলতে রাজি হননি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুগান্তরকে বলেন, আমরা মনে করি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। করোনাকালের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, সিদ্ধান্তগুলো আরও আগেই নেওয়া যেত। প্রয়োজনে বিশেষ মন্ত্রিসভা বৈঠক ডাকা যেতে পারে।
এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় রোববার এক নির্দেশে সরকারি অফিসগুলোকে চলতি মাসের শুরুর দিকে দেওয়া জ্বালানি সাশ্রয়সংক্রান্ত নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে মেনে চলার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। এই নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে-দিনের বেলা প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করা, এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে রাখা এবং ব্যবহার না করলে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখা। সরকারি অফিসে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার ও বিদ্যুতের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। প্রতিটি অফিসে এসব নিয়ম তদারকি করতে সরকার একটি ভিজিল্যান্স টিম গঠন করবে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বিশ্ব জ্বালানি বাজারে ক্রমবর্ধমান চাপ সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশেও এর আঁচ পড়ছে। জ্বালানি ও এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রভাব পড়ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে হরমুজ প্রণালি, যা তেল ও এলএনজি পরিবহণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। সেখানে যে কোনো বিঘ্ন বাংলাদেশের মতো আমদানি-নির্ভর দেশগুলোর ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। এখানকার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ব্যাপকভাবে বিদেশি গ্যাস ও জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল।
গত কয়েক দিনে সরবরাহ সংকটের কারণে বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আমদানি কমিয়ে স্পট মার্কেট (খোলা বাজার) থেকে জ্বালানি কিনতে বাধ্য হয়েছে। যেখানে দাম অনেক চড়া। যুদ্ধের কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। কর্মকর্তারা জানান, এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ খাত ফার্নেস অয়েলের মতো ব্যয়বহুল বিকল্পের ওপর নির্ভর করছে। পাশাপাশি দেশের সীমিত শোধন ক্ষমতার কারণে বেশি দামে পরিশোধিত জ্বালানি কিনতে হচ্ছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের একজন সদস্য (উৎপাদন) যুগান্তরকে বলেন, পেট্রোবাংলা সতর্ক করে বলেছে, আগামী মাসগুলোতে গ্যাস সরবরাহ কমতে পারে। এতে করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রভাব পড়তে পারে। তবে তিনি আশার কথাও জানান। বলেন, সম্প্রতি কেনা এলএনজি যদি সময়মতো পৌঁছায়, তাহলে আশা করছি এপ্রিল মাসে কোনো প্রভাব পড়বে না।
আজকের পত্রিকা
দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ‘হাম পরিস্থিতি: টিকা আছে, দেওয়া যাচ্ছে না’। এতে বলা হয়, চলতি বছরের শুরুতেই দেশের বিভিন্ন স্থানে খুব ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত হামের রোগী শনাক্ত হয়। অতি সংক্রামক রোগটি মার্চে এসে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। হাম টিকা প্রয়োগের মাধ্যমে প্রায় শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য রোগ হওয়া সত্ত্বেও এর রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি চললেও গত পাঁচ বছরে কোনো বিশেষ কর্মসূচি (ক্যাম্পেইন) হয়নি। সরকারি কর্তৃপক্ষ বলছে, বর্তমানে হামের প্রায় ২ কোটি টিকা হাতে থাকলেও লজিস্টিক, জনবল ও অর্থসংকটের কারণে এখনই ক্যাম্পেইন শুরু করা যাচ্ছে না।
জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে হামের প্রকোপ অন্তত ১২ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। এটি কার্যত জনস্বাস্থ্য সংকটে রূপ নিয়েছে। হামে আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছু শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সারা দেশে হাজারের বেশি শিশু রোগটিতে আক্রান্ত হয়েছে। সংক্রমণ বেশি ঢাকা, নরসিংদী, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, চট্টগ্রাম, খুলনা ও ভোলায়।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি, প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা এবং নজরদারির দুর্বলতার ফল এবারের প্রকোপ। টিকা সরবরাহ ও বিতরণে জটিলতা, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমের ভাটা এবং সঠিক তথ্যের অভাব—সব মিলিয়ে চলতি বছরে হামের এই মাত্রার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশে প্রায় ২ কোটি হাম ও রুবেলার (এমআর) টিকা সরকারের হাতে এসেছে। তবে লোকবল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে এখনই তা ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রয়োগ করা যাচ্ছে না।
দেশে সরকারি পর্যায়ে ১৯৮৮ সালে এমআর টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়ে এ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে চলে আসছে। ক্যাম্পেইনের জন্য গঠিত বৈশ্বিক জোট গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (গ্যাভি) এই টিকা দেওয়ার খরচ বহন করে। আর নিয়মিত ইপিআইয়ের টিকা সরকার নিজে কেনে।
প্রথম আলো
দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম ‘ডিজেল নিয়েই দুশ্চিন্তা’। প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্চে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা গেলেও মজুত প্রায় শেষের দিকে চলে এসেছে। তাই এপ্রিলে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ধরে রাখতে হলে সূচি মেনে আমদানি নিশ্চিত করতে হবে। চাহিদার অতিরিক্ত অকটেন আসার নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। তবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জ্বালানি তেল ডিজেল নিয়েই দুশ্চিন্তা বেশি। বিকল্প উৎস থেকে ডিজেল আমদানির চেষ্টা করছে সরকার।
জ্বালানি তেল আমদানির কাজটি করে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সংস্থাটির সূত্র বলছে, ২৯ মার্চ সরবরাহ শেষে ডিজেলের মজুত আছে ১ লাখ ৩৩ হাজার টন। বর্তমান চাহিদার বিবেচনায় এটি ১০ দিনের মজুত। এপ্রিলে ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৪ লাখ টন। যদিও আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ৯৫ হাজার টন ডিজেল আসতে পারে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্র বলছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে নির্ধারিত সময়ে জ্বালানি তেল আসছে না। মার্চে জ্বালানি তেল নিয়ে মোট ১৬টি জাহাজ আসার কথা। এর মধ্যে এসেছে ১০টি। বাকি ৬টি ডিজেলের জাহাজ গতকাল পর্যন্ত সময়সূচিও নিশ্চিত করেনি। এসব জাহাজে ১ লাখ ৫৫ হাজার টন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র (যুগ্ম সচিব) মনির হোসেন চৌধুরী গতকাল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে, সংকটের কারণ নেই। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে কৃষকের তালিকা আছে। তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ডিজেল সরবরাহ করার কথা বলা হয়েছে।
ডিজেল আসার কথা ছিল। এর মধ্যে একটি জাহাজে ডিজেলের পাশাপাশি ২৫ হাজার টন জেট ফুয়েল আসার কথা ছিল। উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি তেল জেট ফুয়েলের মজুত নিয়েও দুশ্চিন্তা আছে, বর্তমানে মজুত আছে আর ১৬ দিনের।
দেশে দুই ধরনের জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। পরিশোধিত জ্বালানি হিসেবে ডিজেল, অকটেন, ফার্নেস তেল ও জেট ফুয়েল কেনা হয় বিভিন্ন দেশ থেকে। আর অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আনা হয় সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে। এসব তেল দেশের একমাত্র সরকারি পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে (ইআরএল) শোধন করে ডিজেল, পেট্রল, ফার্নেস তেলসহ বিভিন্ন জ্বালানি পাওয়া যায়। ইআরএল থেকে মাসে গড়ে ৬০ হাজার টন ডিজেল পাওয়া যায়। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর সৌদি আরব ও আরব আমিরাত থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি আসা বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য মজুত আছে ২৬ হাজার টন, যা দিয়ে ৬ থেকে ৭ দিন উৎপাদন করা যাবে।
জ্বালানি তেলের পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই। গত বছরের তুলনায় সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি কেনার প্রবণতায় কৃত্রিমভাবে সংকট তৈরি হয়েছে।
দেশ রূপান্তর
দৈনিক দেশ রূপান্তরের শিরোনাম ‘এবার দলের শক্তি বাড়াতে মনোযোগ বিএনপির’। প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকার গঠনের পর এবার বিএনপির মনোযোগ দলের দিকে। চলতি বছরই দলটির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বশীল নেতারা।
তারা বলছেন, সরকার গঠনের পর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে বিএনপি সরকার। দলের অনেকে সরকারে চলে গেছেন।
মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা হয়েছেন অনেকে। এ কারণে দলের কর্মকাণ্ডে কিছুটা ভাটা পড়েছে।
নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের আগের মতো আনাগোনা নেই। এমন পরিস্থিতিতে দলীয় কর্মকাণ্ড চাঙা করতে দল পুনর্গঠনের কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি অঙ্গসংগঠনগুলো পুনর্গঠন করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নেতারা বলছেন, শুধু সরকারের সফল হলে চলবে না। বিরোধী দলকে রাজপথে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে দলকে শক্তিশালী করতে হবে।
সমকাল
সমকালের প্রধান শিরোনাম ‘২০ হাজার কোটি টাকা বাড়তি ভর্তুকি চায় বিদ্যুৎ বিভাগ’। প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০ মাসে অতিরিক্ত ২০ হাজার ১৩৬ কোটি টাকা ভর্তুকি চেয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। আরও ২ হাজার কোটি টাকা করে অতিরিক্ত চাওয়া হয়েছে।
নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রাখা, সেচ মৌসুম ও গ্রীষ্মকালীন চাহিদা মোকাবিলা এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এ অর্থ প্রয়োজন বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ।
সম্প্রতি অর্থ বিভাগের কাছে পাঠানো প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নতুন উৎপাদন ইউনিটগুলোর বকেয়া পরিশোধ এবং প্রাথমিক জ্বালানির ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে জরুরি ভিত্তিতে এই অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন।
অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে বকেয়াসহ ভর্তুকি বাবদ মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৯ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৭হাজার কোটি টাকা, যা সংশোধিত বাজেটে কমিয়ে ৩৬ হাজার কোটি টাকা করা হয়।
বণিক বার্তা
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম ‘দেশের সবচেয়ে বর্ধনশীল খাত সরকারি ঋণ, প্রবৃদ্ধি ৩০%’। প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) প্রবৃদ্ধির হার এখন সাড়ে ৪ শতাংশের ঘরে। আমদানি প্রবৃদ্ধির হারও ৩ দশমিক ৯১ শতাংশ। আর রপ্তানি প্রবৃদ্ধি গত আট মাস ধরে টানা নেতিবাচক।
ব্যাংক খাতে আমানত প্রবৃদ্ধির হারও ১০ শতাংশে সীমাবদ্ধ। সম্প্রসারণ নয়, বরং সংকোচনের মুখে রয়েছে কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
অর্থনীতির মৌলিক সূচকগুলোর নাজুক পরিস্থিতির মধ্যেও সরকারের ঋণ বাড়ছে তীব্র গতিতে। গত বছরের জানুয়ারির তুলনায় চলতি বছরের জানুয়ারিতে এক বছরের ব্যবধানে সরকারের ব্যাংক ঋণ প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে।
যদিও একই সময়ে দেশের বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের ঘরে। অর্থাৎ গত এক বছরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির তুলনায় সরকারি ঋণ বেড়েছে পাঁচ গুণ। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরেও সরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ১৫ শতাংশে সীমাবদ্ধ ছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি শেষে দেশের ব্যাংক খাত থেকে সরকারের নেয়া ঋণের স্থিতি ছিল ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৩৬১ কোটি টাকা। চলতি বছরের জানুয়ারি শেষে তা ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১৯৩ কোটি টাকায় ঠেকেছে।
সহযোগীদের খবর
কয়েক ধাপে কৃচ্ছ্রসাধনে সরকার; জ্বালানির চাপ সামলাতে নানামুখী উদ্যোগ
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন
২ মাস আগে
৩১ মার্চ (মঙ্গলবার), ২০২৬, ৯ঃ০৯ (পূর্বাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
