সংসদ ভবনের কেনাকাটায় ‘বালিশ-পর্দা-ছাগল’ কাণ্ড এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতা

সংসদ ভবনের কেনাকাটায় ‘বালিশ-পর্দা-ছাগল’ কাণ্ড এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতা

ফন্ট সাইজ:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য ভবনের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র কেনাকাটার ক্ষেত্রে বিগত স্বৈরাচার আমলের মতো ‘বালিশ, পর্দা ও ছাগল কাণ্ড’-এর মতো দুর্নীতির ঘটনা যেন না ঘটে, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে ‘সংসদ কমিটি’। একই সঙ্গে প্রতিটি আসবাবপত্রের গুণগত মান ঠিক রেখে ক্রয়মূল্য যেন যৌক্তিক পর্যায়ে থাকে, সে বিষয়েও কড়া তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ‘সংসদ কমিটি’র দ্বিতীয় বৈঠকে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে আগামী ১০ তারিখের মধ্যে সংসদ সদস্যদের অনুকূলে বাসা বরাদ্দ দেয়ার লক্ষ্যে দ্রুত সংস্কার কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
কমিটির সদস্য রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, মো. শহিদুল ইসলাম, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. অলি উল্লাহ, মো. সাইফুল আলম এবং মো. আবুল হাসনাত বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে সংসদ ও সদস্য ভবন সম্পর্কিত বিষয়াদি পর্যবেক্ষণের জন্য দুটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়। এর মধ্যে সংসদ অধিবেশন কক্ষের সাউন্ড সিস্টেমের সমস্যা চিহ্নিতকরণের জন্য রকিবুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে একটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া সংসদ ভবনের ক্যান্টিনের খাবারের মান, সংসদ ভবন এলাকায় সরবরাহ লাইনের পানির মান এবং সংসদ সদস্য ভবনে ব্যবহৃত আসবাবপত্রের গুণগত মান যাচাইয়ের লক্ষ্যে নায়াব ইউসুফ আহমেদকে আহ্বায়ক করে আরও একটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়।

বৈঠকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও নাখালপাড়ায় অবস্থিত সংসদ সদস্য ভবনগুলো বরাদ্দের নিমিত্তে সংস্কার ও মেরামত সম্পর্কিত সিভিল, ই/এম ও কাঠের কারখানা বিভাগের কাজের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি শেরে-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত এমপি হোস্টেলের ১৫৬টি অফিস কক্ষ সংস্কার ও মেরামত এবং মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও নাখালপাড়ার ফ্ল্যাটগুলোতে ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারকরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এছাড়া সংসদ সদস্যদের জরুরি প্রয়োজনে (২৪ ঘণ্টা) চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় সংসদের মেডিকেল সেন্টারে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও মেডিকেল অফিসার পদায়ন বা সংযুক্তির বিষয়েও আলোচনা হয়। ভবনগুলোর জন্য নির্ধারিত জনবল পূর্বের রেওয়াজ অনুযায়ী সদস্য ভবন শাখায় পদায়নের বিষয়েও বৈঠকে কথা বলেন কমিটির সদস্যরা।
বৈঠকে সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী, সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

হারুন আল রশিদ

২ মাস আগে

বিষ্ময়কর হলেও সত্যি যে সংসদ সদস্য ও কারগারের বাসিন্দাগণ রাষ্ট্রিয় খরচে সব পেয়ে থাকেন। অথচ এই একই ব্যক্তিগণ যখন সাধারন নাগরিক থাকেন তখন নিজ খরচায় সব করেন। আচ্ছা সংসদ সদস্য নিজেরা আইন করে এ সব সুবিধা পান । কিন্তু অভিযুক্তগন কেন সব মুপ্তে পাবেন? এটা কি ধরনের বিচার যে জনগনের টেস্কের টাকায় অভিযুক্ত বিত্তবানের জন্য এতো আয়োজন!

মন্তব্য করুন