ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের (আইপিএল) নতুন আসর মাঠে গড়ানোর আগেই এক বিতর্ক ডালপালা মেলছে। নিলামে দল পাওয়ার পর শেষ মুহূর্তে নাম প্রত্যাহার করছেন বিদেশি ক্রিকেটাররা। নাম প্রত্যাহারের এমন ক্রমবর্ধমান প্রবণতায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুনিল গাভাস্কার। বর্তমানের দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার নিয়মকে ‘যথেষ্ট নয়’ উল্লেখ করে আরও কঠোর শাস্তির দাবি জানান ভারতের এ কিংবদন্তি অধিনায়ক। এমনকি ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ারে আঘাত হানার পরামর্শ দিতেও দ্বিধাবোধ করেননি তিনি!
আইপিএলের বর্তমান নিয়মানুযায়ী, চোট বা জরুরি চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণ ছাড়া কেউ নাম প্রত্যাহার করলে তিনি পরবর্তী দুই মৌসুমের জন্য নিষিদ্ধ হন। তবে হ্যারি ব্রুক বা ডাকেটের মতো ক্রিকেটারদের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে এ নিয়মের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন গাভাস্কার। স্বদেশী গণমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টুডে’-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা স্পষ্টতই কাজ করছে না। এমন কিছু করতে হবে যা খেলোয়াড়দের ওপর প্রভাব ফেলবে। যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের ক্যারিয়ার বা আইপিএলে ফেরার সুযোগে বড় কোনো ধাক্কা না লাগছে, ততক্ষণ এ প্রবণতা থামবে না।’
ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগটিতে এবারের মৌসুমে ২ কোটি রুপিতে দিল্লি ক্যাপিটালসে নাম লেখান ডাকেট। তবে শেষ মুহূর্তে সরে দাঁড়ান এ ইংলিশ ব্যাটার। জাতীয় দলে মনোযোগ দেয়ার কথাকে ‘অজুহাত’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে গাভাস্কার আরও বলেন, ‘ডাকেট হয়ত দ্য হান্ড্রেড টুর্নামেন্টে ভালো দাম পাওয়ায় আইপিএলে নাম প্রত্যাহার করতে দ্বিধা করেননি। তিনি হয়তো এখন টেস্ট ক্যারিয়ারে মনোযোগ দেয়ার অজুহাত দিচ্ছেন। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কী হবে?’
গত মৌসুমে একইভাবে সরে দাঁড়িয়ে বর্তমানে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞায় আছেন ডাকেটের জাতীয় দলের সতীর্থ হ্যারি ব্রুক। ডাকেটের ক্ষেত্রেও একই শাস্তির সম্ভাবনা থাকলেও, গাভাস্কার চাইছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) যেন বিষয়টিকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে।

আজিজুল হক
২ মাস আগেভারতীয়দের সুবিধা যেখানে সেখানে বড় কথা। খেলোয়াড়দের যেখানে লাভবান হবেন, সেখানে তাদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। হিন্দুত্ববাদী জঙ্গীদের উস্কানিতে গৃহীত সিদ্ধান্ত বদলেছে দল সেখানে চুপ কেন?