২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় আমি বাংলাদেশে ছিলাম। তখন শেখ হাসিনা ক্ষমতায় ছিলেন। তখনকার (নির্বাচনী) পরিবেশ এখনকার থেকে একেবারেই ভিন্ন ছিল। ঢাকা ও দেশের অন্যান্য এলাকায় ঘুরে বেড়ানোর সময় দেখেছিলাম, ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট, প্রচারসামগ্রী ও পোস্টার প্রায় একটিমাত্র দল- শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের। এক ধরনের সীমাবদ্ধ পরিবেশ ছিল। আমরা যখন মানুষের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করতাম, তারা খোলাখুলি কথা বলতে ভয় পেতেন। এখন বাতাসটা আলাদা মনে হচ্ছে। আমরা যেসব ভোটারের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের অনেকের মধ্যেই স্পষ্ট উত্তেজনা ও প্রত্যাশা রয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পোস্টার চোখে পড়ছে। অবশ্যই এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ, যা ভোটটি সত্যিই অবাধ ও সুষ্ঠু কি না, সে প্রশ্নে একটি ছায়া ফেলেছে। গোপালগঞ্জে, যা আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, আমাদের এক সহকর্মী জানিয়েছেন বৃহস্পতিবার সকালে ভোটকেন্দ্রগুলো প্রায় ফাঁকাই ছিল। তবে ঢাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রথম ঘণ্টার মধ্যেই অনেককে ভোট দিতে দেখা গেছে। আমাদের সঙ্গে কথা বলা কিছু ভোটার আশা প্রকাশ করেছেন, আজকের নির্বাচনের পর দেশে সত্যিকারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে।

BAD MOUTH
৪ মাস আগেOur victory will be complete and to the heart when we will have a new name, new flag and new national anthem for our country.