ভাসানটেক সরকারি কলেজে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

ভাসানটেক সরকারি কলেজে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

ফন্ট সাইজ:

যথাযোগ্য মর্যাদায় ঢাকার ভাসানটেক সরকারি কলেজে গণহত্যা এবং মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। দিবসের সূর্যোদয়লগ্নে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ, আলোচনা সভা, কবিতা আবৃত্তি, স্বদেশপ্রেমমূলক গান পরিবেশিত হয় এবং দোয়ার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে রচনা প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে বই পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভাসানটেক সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সুফিয়া বেগম, বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ভুঞা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গণহত্যা এবং মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ পালন কমিটির আহ্বায়ক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মোহন।
বক্তারা বলেন, একটি জাতির স্বাধীনভাবে নিঃশ্বাস নেওয়ার গোড়াপত্তন হয়েছিল এই দিনে। তাই প্রতি বছর মার্চ মাসের ২৬ তারিখ আমাদের জন্য স্মরণীয় দিন। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়। পরাধীনতার শিকল ভেঙে বেরিয়ে আসা সহস্র বছরের ঐতিহ্য-সমৃদ্ধ আত্মমর্যাদায় বলীয়ান একটি জাতির একজন হতে পেরে গর্বিত আমরা। সাংস্কৃতিক আন্দোলন রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে কতটুকু বলবান করে তার একটি প্রামাণ্য উদাহরণ বাংলাদেশ।
বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলন ছিল আমাদের আত্মানুসন্ধানের প্রচেষ্টা। একটি জাতি যখন নিবেদিতভাবে আত্মপরিচয়ে পরিচিত হতে চায় তখন তাদের ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাতন্ত্র্য আবিষ্কার করে তাদের একটি অভাবনীয় বোধোদয় ঘটে থাকে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বহমান সময়ে একাত্তরের পরাজিত শত্রুরা যখন আবার ধীরে ধীরে মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে, তখন আমাদের আবার মানবিক বাঙালি সংস্কৃতির কাছে ফিরে যেতে হবে। আলোচনাকালে বক্তাগণ ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনার জন্য শিক্ষার্থীদেরকে সুনাগরিক হওয়ার প্রতি জোর দেন। সেই সাথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাগ্রত থেকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সুশিক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানান।



কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন