ম্যাচজুড়ে লড়াই হলো সেয়ানে-সেয়ানে। খাতা-কলমে ফ্রান্সের তুলনায় আক্রমণে বেশি পসরা সাজালো ব্রাজিলই। তবে শেষটা সুন্দর হলো না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। ফক্সবরোর জিলেট স্টেডিয়ামে ফরাসিদের জয় ২-১ গোলে। অনেকটা সময় ১০ জনের দল নিয়েও দারুণ লড়াই করে জয় তুলে নিলো কিলিয়ান এমবাপ্পেরা।
ব্রাজিলের ১৭টি শটের মধ্যে লক্ষ্যে থাকে স্রেফ ৪টি। বিপরীতে ৭টির মধ্যে ৩টিই লক্ষ্যে রাখে ফ্রান্স। গ্যালারিতে উপচে পড়া ৬৬ হাজার দর্শকের সিংহভাগই আসেন হলুদ জার্সি গায়ে চাপিয়ে। তবে মাঠের লড়াই শেষে সেই উন্মাদনা থাকেনি। শুরু থেকেই বল দখলে এগিয়ে থাকে ফ্রান্স। ৩২তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা এমবাপ্পে। মাঝমাঠ থেকে অহেলিয়া চুয়ামেনির কেড়ে নেয়া বল খুঁজে পায় উসমান দেম্বেলেকে। তার নিখুঁত থ্রু পাস ধরে রক্ষণচেরা গতিতে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন ২৭ বছর বয়সী এমবাপ্পে। গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে চমৎকার এক চিপ শটে জাল খুঁজে নেন তিনি। জাতীয় দলের জার্সিতে এটি তার ৫৬তম গোল। ফ্রান্সের সর্বকালের সেরা গোলদাতা অলিভিয়ে জিরুডের (৫৭ গোল) ঘাড়েই নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে।
বিরতির পর আক্রমণাত্মক ফুটবল শুরু করে ব্রাজিল। ৫৫তম মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পায় সেলেসাওরা। বায়ার্ন মিউনিখ ডিফেন্ডার উপামেকানো প্রতিপক্ষ একজনকে বাজেভাবে ফাউল করে বসেন। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিতে (ভিএআর) যাচাই করে তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। তবে ফ্রান্সের একজন কম থাকলেও সেই সুযোগ লুফতে পারেনি ভিনিসিয়ুস জুনিয়ররা। উল্টো ৬৫তম মিনিটে মাইকেল ওলিসের পাস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন উগো একিতিকে।
৭৮তম মিনিটে একমাত্র গোলটি পায় ব্রাজিল। কাসেমিরোর কাটব্যাক থেকে লুইস এনরিকের শট ব্রেহমের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়। জাতীয় দলের হয়ে জুভেন্টাস ডিফেন্ডারের প্রথম গোল এটি। শেষ দিকে ভিনি ও থিয়াগো সমতা ফেরানোর সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি।
