তারেক রহমানের নেতৃত্বেই গণতান্ত্রিক দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন ফখরুল

তারেক রহমানের নেতৃত্বেই গণতান্ত্রিক দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন ফখরুল

ফন্ট সাইজ:

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বেই গণতান্ত্রিক, সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় শেরে বাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের প্রতি সারাদেশের মানুষ অত্যন্ত আশাবাদী, আস্থাশীল এবং এই নেতার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অবশ্যই একটা গণতান্ত্রিক সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশে পরিণত হবে, এই বিশ্বাস আমাদের সকলের আছে। আমরা আজকে দিনে দেশবাসীকে জনগণকে আমাদের দলের পক্ষ থেকে আমরা আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাচ্ছি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সম্পূর্ণ একটু ভিন্ন প্রেক্ষাপটে আমরা এই স্বাধীনতা দিবস আজকে উদযাপন করতে চলেছি । দীর্ঘ ১৫/১৬ বছর ফ্যাসিস্টের যাঁতাকলে বাংলাদেশে যখন গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, স্বাধীনতা বিপন্ন হয়ে পড়েছিল তখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জনগণকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই করেছে সংগ্রাম করেছে। প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে, ২০ হাজারের মতো নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন, প্রায় ১৭শ নেতাকর্মী গুম হয়ে গেছেন।
তিনি বলেন, সমস্ত নির্যাতন নিপীড়নকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের মানুষ লড়াই চালিয়ে গেছে এবং সবশেষে জুলাই ছাত্র জনতার অভুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আবার নতুন করে একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা তৈরি করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। আজকে আমাদের নেতা তারেক রহমান যিনি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে নির্বাসিত থেকে আমাদেরকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং এখন এই নির্বাচন থেকে শুরু করে পূর্ব পর্যন্ত এবং আজকে নির্বাচনের পরে সরকার গঠন করার পরে তিনি তার সম্পূর্ণ নতুন চিন্তাভাবনা নিয়ে দেশকে গড়ে তোলার কাজে যুক্ত হয়েছেন। মাত্র এক মাসের মধ্যেই তিনি তার নেতৃত্বে বাংলাদেশকে অনেক দূরে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।
দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে তারেক রহমানের ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মগুরুদের মাসিক ভাতা প্রদান, খাল খনন কর্মসূচি, প্রান্তিক কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদ মওকুফ এবং পহেলা বৈশাখ ফার্মার্স কার্ড প্রদানের কথা উল্লেখ করেন বিএনপি মহাসচিব।
বিএনপি মহাসচিব বক্তব্যে শুরুতে বলেন, আমরা স্মরণ করতে চাই আমাদের যিনি এই দিনের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে সমগ্র বাংলাদেশের মানুষকে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিলেন এবং দীর্ঘ নয় মাস রণাঙ্গনে থেকে লড়াই করে বাংলাদেশের জনগণকে নিয়ে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে নিয়ে তিনি দেশ স্বাধীন করেছিলেন তার প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। এই স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষ অগণিত মানুষ যারা শহীদ হয়েছিলেন কষ্টভোগ করেছেন, আহত হয়েছেন, পঙ্গু হয়েছেন তাদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছি জাতীয় দল পক্ষ থেকে।
তিনি বলরন, আজকে সেই সূত্রে স্মরণ করতে চাই বাংলাদেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি সেই যুদ্ধ থেকে শুরু করে তার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এই দেশের মানুষের জন্য স্বাধীনতার জন্য গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন লড়াই করেছেন আমরা বাংলাদেশ জাতীয় দলের পক্ষ থেকে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি ।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুস্পমাল্য অর্পনের পরে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে মহাসচিব, স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসুর মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমেদ ও অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ নেতৃবৃন্দকে নিয়ে পুস্পমাল্য অর্পন করেন। পরে তারা মোনাজাতে অংশ নেন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন