২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার, পদ্মাপাড়ে স্বজনদের আহাজারি

দৌলতদিয়া ঘাটে বাসডুবি

২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার, পদ্মাপাড়ে স্বজনদের আহাজারি

ফন্ট সাইজ:

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া বাসডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর উপস্থিত জনতা দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছিল। বাসটি নদী থেকে তোলার পর ভেতরে ১৪ জনের মরদেহ পাওয়া যায়। এরপর ডুবুরি দল নদী থেকে আরও দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।’

পরে আরও ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আজ সকাল থেকে আরও ৩টি মরদেহ শনাক্ত করা হয়। এ নিয়ে বাসডুবির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে বুধবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য’ পরিবহনের একটি বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। বাসটি যাত্রা শুরু করেছিল কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে। বাসটি কমপক্ষে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন।

পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া বাসটি টেনে তুলেছে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা। বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে বাসের একটি অংশ দৃশ্যমান হয়। সাড়ে ১১টা দিকে পুরো বাসটি জাহাজ হামজার ক্রেন দিয়ে টেনে পানির ওপরে তোলা হয়।

EKRAM

২ মাস আগে

৮০ সালের পূর্বে একটি আইন ছিল, যা ফেরী ঘাটে বাধ্যতামূলক ছিল এবং বড় বড় সাইনবোর্ডে তা লেখা থাকতো -যতটুকু মনে পড়ে তা হলো " ফেরীতে গাড়ী উঠার আগে সব যাত্রীকে বাধ্যতামূলক বাস থেকে নামতে হতো" এই আইনটি কার্যকর করা প্রয়োজন।

মন্তব্য করুন