এ পর্যন্ত ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার

দৌলতদিয়া ঘাটে যাত্রীবাহী বাসডুবি

এ পর্যন্ত ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার

ফন্ট সাইজ:

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। ডুবে যাওয়া বাস থেকে এ পর্যন্ত ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তারমধ্যে দুজন হলেন রেহেনা বেগম (৬০) ও মর্জিনা বেগম (৫৫)। রেহেনার বাড়ি রাজবাড়ীর ভবানীপুর এলাকায়। মর্জিনা বেগমের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি। চিকিৎসাধীন আছেন নুসরাত (২৯) নামের এক নারী। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক।
রাত বারোটার পর উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা বাসটিকে উপরে তোলে আনে। তখন একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় স্বজনদের কান্নায় ভারি হয়ে উঠে পরিবেশ। এখনো নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চালানো হচ্ছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মারুফ হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার পর তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে দুজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। অন্যজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ওদিকে বাস ডুবির ঘটনায় ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।


এদিকে বাসটি ডুবে যাওয়ার পর উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা। তবে বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়।

উদ্ধার কাজে তদারকি করেন রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাফিজুর রহমান।

এর আগে বুধবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি টিম ঘটনাস্থলে পৌছে কাজ শুরু করে।

বুধবার রাতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদরদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীর আনুমানিক ৩০ ফুট গভীরে তলিয়ে যায়। গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি ইউনিট এবং আরিচা স্টেশনের একটি ডুবুরি ইউনিট উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।

বাসটি নদীতে পড়ে যাওয়ার বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে। এর মধ্যে একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে- বাসটি ফেরিতে ওঠার অপেক্ষায় পন্টুনে ছিল। ফেরিটি পন্টুনে যুক্ত ছিল। ফেরিতে যাত্রী ও যানবাহন ছিল। চলন্ত বাসটি মুহূর্তের মধ্যে পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে যায়।

আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, বাসটি পড়ার মুহূর্তে পন্টুন ও ফেরিতে থাকা লোকজন সেদিকে দৌড়ে যান। বাসটি ডুবে যাওয়ার পর সেখান থেকে কয়েকজন ভেসে ওঠেন। তখন পন্টুন ও ফেরিতে থাকা লোকজন তাদের দিকে রশি ও লাইফবয় ফেলেন। তারা সেটি দিয়ে ধরে ওঠে আসেন।



মিলন আজাদ

২ মাস আগে

ফেরী পাপারের সময় বাস হতে নামা বাধ্যতামূলক করা হোক।
পূর্বে এই নিয়ম প্রচলিত ছিলো আমরা ঢাকা চট্টগ্রাম আসা যাওয়ার সময় বিভিন্ন ফেরী ঘাটে পারাপারের সময় নেমে যেতাম।

Mohammad Alauddin

২ মাস আগে

I remember there was a requirement for all passengers to get off the bus at the ferry ghat

ABU MOKARRAM

২ মাস আগে

আল্লাহ তুমি তোমার কুদরতী হাতে মানুষ গুলো কে রক্ষা করো!

মন্তব্য করুন