আগামী ১৩ই এপ্রিল বাংলাদেশে আসবে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। এই সফরে কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ থাকছে না। তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। সিরিজের সূচি ও ভেন্যু চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। খেলা হবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে শুরু হবে মাঠের লড়াই। ১৭ই এপ্রিল প্রথম ওয়ানডে খেলবে দুই দল। একই মাঠে ২০শে এপ্রিল হবে দ্বিতীয় ম্যাচ। এরপর দুই দল যাবে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। সেখানে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লা. লে. মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ২৩শে এপ্রিল হবে শেষ ওয়ানডে। ওয়ানডে ম্যাচগুলো দিবা-রাত্রির। প্রতিটি ওয়ানডে শুরু হবে দুপুর ২টায়।
ওয়ানডে শেষে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি লড়াই। টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচ হবে চট্টগ্রামে। ২৭ ও ২৯শে এপ্রিল মাঠে নামবে দুই দল। এই ম্যাচ দুটি শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টায়। সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি হবে ২রা মে। এই ম্যাচটি হবে মিরপুরে। এটি পুরোপুরি দিনের ম্যাচ। খেলা শুরু হবে দুপুর ২টায়। তবে এই সফরে পূর্ণ শক্তির দল পাচ্ছে না নিউজিল্যান্ড। এই সময়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট আইপিএল (ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ) চলবে। একই সঙ্গে চলবে পিএসএল (পাকিস্তান সুপার লীগ)। শীর্ষ ক্রিকেটাররা এই সিরিজে খেলবেন না। মিচেল স্যান্টনার ও রাচিন রবীন্দ্ররা ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগ খেলবেন। ফলে এই সফরে তাদের দলের সঙ্গে থাকার সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশের জন্য এই সিরিজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। এজন্য র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করা প্রয়োজন। রেটিং পয়েন্ট বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই বাংলাদেশের সামনে। সদ্যই পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। এতে তাদের রেটিং পয়েন্ট বেড়েছে। ক্যারিবিয়ানদের টপকে র্যাঙ্কিংয়ের ৯ নম্বরে উঠেছে বাংলাদেশ দল। নিউ জিল্যান্ড বর্তমানে ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের দুই নম্বর দল। তাদের হারাতে পারলে বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট অনেক বাড়বে। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজও এই সমীকরণ জানেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘প্রত্যেকটি পয়েন্ট আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।’ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই তিনি পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন। প্রতিপক্ষের শীর্ষ খেলোয়াড়রা না থাকায় বাংলাদেশের সামনে সিরিজ জয়ের দারুণ সুযোগ রয়েছে।
দুই ভেন্যুতে কিউই সিরিজ
স্পোর্টস রিপোর্টার
১৭ মার্চ (মঙ্গলবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
