কাউকে বলির পাঁঠা বানাইনি, দাবি খাজার

স্যান্ডপেপারগেট কেলেঙ্কারি

কাউকে বলির পাঁঠা বানাইনি, দাবি খাজার

ফন্ট সাইজ:

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার উসমান খাজা দাবি করেছেন যে, তিনি তার আত্মজীবনীতে ২০১৮ সালের বল-টেম্পারিং বিতর্ক সামনে এনে কাউকে ‘বলির পাঁঠা বানাননি’। বই বিক্রির জন্য এটি কোনো ব্যবসায়িক বা প্রচারণামূলক কৌশল নয় বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
সেবার দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে কেপ টাউন টেস্টে স্যান্ডপেপার ব্যবহার করে বল বিকৃত করার ঘটনাটি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ায় লজ্জাজনক ইতিহাসের জন্ম দেয়। ওই ঘটনার পর তৎকালীন অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ, সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার এবং ক্যামেরন ব্যানক্রফট দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েন। খাজার প্রকাশ হতে যাওয়া আত্মজীবনীর একটি অংশে দাবি করা হয় যে, সেদিনের ওই ঘটনা সম্পর্কে পুরো অস্ট্রেলিয়া দলই জানতো।

রোববার ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা একটি ভিডিও বার্তায় খাজা বলেন, ২০১৮ সাল থেকেই তিনি এই সত্য প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন। ৩৯ বছর বয়সী এই সাবেক ব্যাটার বলেন, ‘আমি কাউকে বিপদে ঠেলে দিইনি। সেদিনের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে থাকা বর্তমান খেলোয়াড় ও আমরা কেউই প্রকৃত ভুক্তভোগী নই। আসল বলি হয়েছে ওই তিনজন (ব্যানক্রফট, ওয়ার্নার ও স্মিথ), তারাই আসল শিকার।’

খাজা জানান, আত্মজীবনী প্রকাশের আগে তিনি ওই তিন ক্রিকেটারের সঙ্গেই কথা বলেছেন এবং ওয়ার্নারকে নিজের মতো করে সত্যিটা তুলে ধরার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘ওই তিনজনই ন্যায়বিচার পাওয়ার যোগ্য, আমি কারও দিকে আঙ্গুুল তুলছি না। আমি সেই একই জিনিস খুঁজছি, যা এতদিন ধরে খুঁজছিলাম- আমরা সবাই, আমিও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত, একসঙ্গে দায়িত্ব নেবো যাতে এই অধ্যায়টির চিরতরে অবসান ঘটে।’

দীর্ঘদিন কেন চুপ ছিলেনÑ এই প্রশ্নের জবাবে খাজা জানান, এটি কোনো বই বিক্রির কৌশল নয়। ২০১৮ সালে স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফট নিষিদ্ধ হওয়ার পরই তিনি মুখ খুলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্মিথ নিজে সব দায় কাঁধে নিতে চাওয়ায় তিনি তখন বিরত থাকেন। এরপর ২০২১ সালে পেসার ও বোলাররা যখন বল-টেম্পারিংয়ের সঙ্গে নিজেদের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন, তখনো তিনি মুখ খুলতে চেয়েছিলেন। তবে কোচ জাস্টিন লঙ্গারের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর সে যাত্রায়ও তিনি সিদ্ধান্ত বদল করেন।