জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন না স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা। উদাসীন মনোভাবের কারণেই তাদের এরকম অনুপস্থিতি বলে নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন। তাছাড়া জাতীয় এ দিবস পালনে তারা উপজেলা কিংবা পৌর পর্যায়ে দলীয়ভাবেও কোনো কর্মসূচি পালন করেননি। এতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ লক্ষ করা গেছে। নেতাদের এ কাণ্ডে বিয়ানীবাজার উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র ছন্নছাড়া ভাব প্রকাশ পেয়েছে বলে মনে করছেন বিগত দিনের নির্যাতিত কর্মী-সমর্থকরা। উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের উদ্যোগ নেয় বিয়ানীবাজারের প্রশাসন।
আহূত কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজ, বিরোধী দল, শিক্ষক প্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের প্রায় দেড় ঘণ্টা পরও উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রশাসনের কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ উপস্থিত হননি। উপায় না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই সাড়ে ১১টার দিকে আলোচনা সভা শুরু করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাবিবা মজুমদার।
সভায় তার সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরুল আম্বিয়া আলাওল, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ফয়েজ আহমদসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা। এ ব্যাপারে সিলেট জেলা বিএনপি’র সহ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সরওয়ার হোসেন জানান, জাতীয় এই দিবসে বিয়ানীবাজার বিএনপি ও সহযোগী সংগঠন কিংবা জনপ্রতিনিধিসহ আমন্ত্রিতদের উদাসীন অনুপস্থিতি আমাদের জন্য কষ্টদায়ক। উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাবিবা মজুমদার বলেন, সকল পেশার ব্যক্তিবর্গকে যথাযথ সম্মান দিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
