Warning: Trying to access array offset on false in /var/www/vhosts/mzamin.com/httpdocs/app/core/FileCache.php on line 28

Warning: Trying to access array offset on false in /var/www/vhosts/mzamin.com/httpdocs/app/core/FileCache.php on line 28
হোয়াইটওয়াশ বাঁচানোর চ্যালেঞ্জ শান্তদের - MZamin
হোয়াইটওয়াশ বাঁচানোর চ্যালেঞ্জ শান্তদের

হোয়াইটওয়াশ বাঁচানোর চ্যালেঞ্জ শান্তদের

ফন্ট সাইজ:

সিরিজের প্রথম টেস্টে মিরপুরে বাংলাদেশ আট উইকেটে হেরেছে। তাই সিলেটে দলের সামনে হোয়াইটওয়াশের শঙ্কা। সিরিজ সমতায় আনতে এই ম্যাচে জয় ছাড়া বিকল্প নেই। সেই সঙ্গে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখতে এই ম্যাচ হাতছাড়া করার সুযোগ নেই নাজমুল হোসেন শান্তদের। ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট জয়ের পর সব সংস্করণে সবমিলিয়ে বাংলাদেশ সাতটি ম্যাচ খেলেছে। এর মধ্যে একটিতেও জয় পায়নি। আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ড্র করেছে।

এশিয়ান গেমস ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে খেলা ম্যাচগুলোতেও দল হেরেছে। এরপর ঘরের মাঠে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে হার। আর প্রতিটি হারের পিছনে অন্যতম কারণ দলের ব্যাটিং ব্যর্থতা, বাংলাদেশ দলের কোচ ফিল সিমন্সও তা অকপটে স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ডারউইন টেস্টের পর থেকে আমরা ভালো করতে পারিনি, বিশেষ করে ব্যাটিংটা একদমই ভালো হয়নি। দৃঢ় সংকল্প নিয়ে নামলে আমরা কী করতে পারি, সেটা ডারউইনে দেখিয়েছিলাম। এরপর যে সংস্করণেই খেলেছি, ব্যাটিং আশানুরূপ হয়নি।’ কোচ মনে করেন দলের খেলোয়াড়রা অনুশীলনে ঘাম ঝরাচ্ছেন। তবে মাঠে এর প্রয়োগ হচ্ছে না। দলের খেলোয়াড়দের এই ব্যাটিং বিষয়ে আরও কাজ করতে হবে।’ অন্যদিকে পেসাররা দারুণ করলেও স্পিনারদের নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে দলের অন্যতম স্পিনার তাইজুল ইসলাম বল হাতে উইকেট পাচ্ছেন না।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সাত উইকেট নেওয়ার পর তাকে ফর্মে দেখা যাচ্ছে না। তিনি সবশেষ চার টেস্টে পাঁচটি উইকেট নিয়েছেন। মিরপুর টেস্টে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে তিনি ৩৮ ওভার বল করে দুটি উইকেট পেয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ইনিংসে তিনি দুটি উইকেট নিয়েছিলেন। আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিনি একটি উইকেট পান। তার এই উইকেটের খরায় ভুগছে দলও। যে কারণে গুঞ্জন রয়েছে সিলেটে তাকে একাদশের বাইরে রাখা হতে পারে। তার জায়গায় মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাঈম হাসান খেলতে পারেন। সিমন্স এই স্পিনারের ফর্ম নিয়ে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে অবশ্যই ভাবতে হবে। একটু পরই যখন আমরা আলোচনায় বসবো, তখন এটি নিয়ে গুরুত্ব দিয়েই ভাবার আছে।’ দলের এই বোলারের ফর্ম নিয়ে তিনি ভাবছেন। তবে তাকে একাদশে রাখা হবে কি না, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি এক যুগের ক্যারিয়ারে এর আগে উইকেটখরায় পড়েননি। দলের জয়ের জন্য স্পিনারদের উইকেট নিতে হবে। কোচ স্পিন বিভাগ নিয়ে কাজ করছেন। এই ম্যাচে স্পিনারদেরও দায়িত্ব নিতে হবে।’

সিলেটে একাদশে পরিবর্তন আসবে। মাথায় আঘাত পাওয়ায় মুমিনুল হক ছিটকে গেছেন। তার জায়গায় একাদশে ফিরতে পারেন মুশফিকুর রহীম। আঙুলের চোটের কারণে তিনি মিরপুর টেস্টে খেলতে পারেননি। তিনি পাঁচ নম্বরে ব্যাট করেন। তাই তিন নম্বর জায়গাটি ফাঁকা থাকছে। এই জায়গায় কে নামবেন, সেই বিষয়ে কোচ কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনাই বেশি। সম্ভবত অধিনায়ককেই তিনে ব্যাট করতে দেখা যাবে।’ তার মানে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত তিন নম্বরে নামবেন।

মুমিনুলের জায়গায় দলে এসেছেন অমিত হাসান। তিনি দেশের ঘরোয়া লীগে রান করে দলে এসেছেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিনি একটি টেস্ট খেলেছিলেন। সিলেটে তিনি একাদশে সুযোগ পাবেন কি না, তা নিশ্চিত নয়। মিরপুরে দুই দলের স্পিনারদের মধ্যে পারফরম্যান্সে বেশ পার্থক্য দেখা গেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের তিন স্পিনার রস্টন চেইস, জোমেল ওয়ারিক্যান ও জশুয়া বিশপ মিলে বাংলাদেশের ১৬ উইকেট নেন। বিপরীতে বাংলাদেশের তিন স্পিনার তাইজুল, মিরাজ ও নাঈমের শিকার আটটি উইকেট।

প্রতিপক্ষের স্পিনারদের বিপরীতে বাংলাদেশের স্পিনাররা উইকেট নিতে পারেননি। দলের স্পিনারদের এই পারফরম্যান্স নিয়ে কোচ কিছুটা শঙ্কায় থাকলেও তিনি তাদের সামর্থ্যে আস্থা রাখছেন। সিমন্স বলেন, ‘আমাদের স্পিনারদের অন্য কোনো দল এভাবে ছাপিয়ে গেছে, এমনটা খুব বেশি দেখিনি। আমরা ভালো বোলিং করতে পারিনি, এটা সত্যি এবং আমরা তা উপলব্ধি করতে পারছি। দলের আলোচনায় আমরা তা মেনে নিয়েছি। তবে এমন কিন্তু সবসময় ঘটে না। স্পিনাররা আমাদের শক্তির জায়গা। বেশ কয়েকজন প্রতিভাবান পেসার এসেছে ঠিকই, তবে স্পিনও অন্যতম শক্তি। এখানেই শেষ ম্যাচে শেষ দিনে এই দুই স্পিনারই আমাদের ম্যাচ জিতিয়েছিল। তাই স্পিনারদের ওপর এখনও আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে।’