সরকারি আবাসন বরাদ্দ নিয়ে নিজেরা বসবাস না করে অন্যকে ভাড়া বা সাবলেট দিয়েছেন—এমন চাকরিজীবীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সরকার। আগামীকাল শনিবারের মধ্যে সরকারি ফ্ল্যাট থেকে ভাড়াটে ও সাবলেটগ্রহীতাদের সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বরাদ্দপ্রাপ্তদের নিজেদের বাসায় বসবাস করতে বলা হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের পরও কোনো ফ্ল্যাটে ভাড়াটে বা সাবলেটগ্রহীতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট চাকরিজীবীর বাসার বরাদ্দ বাতিল করা হবে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। গত বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সরকারি আবাসন পরিদপ্তর।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরিদপ্তরের পরিদর্শন দলের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কোনো কোনো সরকারি চাকরিজীবী তাদের নামে বরাদ্দ করা বাসার এক বা একাধিক কক্ষ কিংবা পুরো ফ্ল্যাট অন্যের কাছে ভাড়া বা সাবলেট দিয়েছেন। এ ধরনের কার্যক্রম বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২-এর পরিপন্থী।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বরাদ্দ পাওয়া বাসার কোনো অংশই অন্যের কাছে ভাড়া বা সাবলেট দেয়া যাবে না। ইতিমধ্যে যারা ভাড়া দিয়েছেন, তাদের ৩১শে অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটে সরিয়ে নিজেরা সেখানে বসবাস করতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের পর অনিয়ম পাওয়া গেলে বরাদ্দ বাতিলের পাশাপাশি বিধিমালার ১৪(৩) ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অফিসপ্রধান ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। তাদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নিতেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হবে।
আবাসন পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, রাজধানীর আজিমপুর, মতিঝিল ও মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারি ফ্ল্যাট রয়েছে। এসব বাসার অনেক বরাদ্দপ্রাপক নিজেরা না থেকে অন্যের কাছে ভাড়া দিয়ে রেখেছেন।
