কক্সবাজারের উখিয়ায় টুপটুপ রেস্তোরাঁ অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপে মিলেছে কঙ্কালসদৃশ দেহাবশেষ। এর সঙ্গে পাওয়া স্বর্ণের চেইন দেখে দেহাবশেষটি নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার (২৭) বলে শনাক্ত করেছেন তার স্বামী দেওয়ান ফয়সাল। তবে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া বাকি।
মঙ্গলবার রিসোর্টের ধ্বংসস্তূপে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের তল্লাশির সময় উপস্থিত ছিলেন ফয়সাল। তল্লাশির একপর্যায়ে দেহাবশেষটি উদ্ধার করা হয়। ফয়সাল ঢাকা জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক নেতা।
উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান মানবজমিনকে বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কঙ্কালসদৃশ দেহাবশেষটি উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। সেখানে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি, ডিএনএ নমুনা সংগ্রহসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।’
ওসি জানান, অগ্নিকাণ্ডের পর রিসোর্টটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় প্রথম দিন ধ্বংসস্তূপের পুরো অংশ তল্লাশি করা সম্ভব হয়নি। সেদিন ১০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। পরে ওই ১০ জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত হলেও একজন পর্যটক নিখোঁজ থাকায় মঙ্গলবার আবারও তল্লাশি চালানো হয়।
নাসরিন আক্তার মুক্তা ঢাকার আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। দুই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে এসে তিনি নিখোঁজ হন। অগ্নিকাণ্ডে উদ্ধার হওয়া ১০ জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত হলেও তাদের কারও নমুনার সঙ্গে মুক্তার নমুনার মিল পাওয়া যায়নি।
স্বর্ণের চেইন দেখে তার স্বামী দেহাবশেষটি মুক্তার বলে শনাক্ত করলেও ডিএনএ পরীক্ষার ফলের অপেক্ষায় রয়েছে আনুষ্ঠানিক পরিচয় নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া।
টুপটুপ রিসোর্ট ট্রাজেডি
ধ্বংসস্তূপে কঙ্কাল, স্বর্ণের চেইন দেখে স্ত্রীকে শনাক্ত, অপেক্ষা ডিএনএ পরীক্ষার
স্টাফ রিপোর্টার, উখিয়া থেকে
অনলাইন
৫৬ মিনিট আগে
২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার), ২০২৬, ৪ঃ২৫ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
