তদন্তে আরও ৬ মাস সময়, জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সম্পৃক্ততার তথ্য হাইকোর্টে

সাগর-রুনি হত্যা মামলা

তদন্তে আরও ৬ মাস সময়, জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সম্পৃক্ততার তথ্য হাইকোর্টে

ফন্ট সাইজ:

দীর্ঘ ১৪ বছর পার হলেও সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের রহস্যের কোনো কূলকিনারা হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে তদন্তকারীরা বারবার ব্যর্থ হয়েছেন; এমনকি উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্সকে কয়েক দফা সময় দেয়া হলেও তারাও তা দিতে পারেনি।
মঙ্গলবার বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনের পরিবর্তে একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিয়ে আরও এক বছর সময় চেয়ে আবেদন করে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স।
আদালতে শুনানিকালে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর এবং প্রসিকিউটর তানভীর জোহা টাস্কফোর্সকে জানিয়েছেন যে, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান ও অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচীর সম্পৃক্ততা রয়েছে। এছাড়া জিয়াউল আহসানের বাসা থেকে জব্দ করা বিপুল সংখ্যক সিডি যাচাই-বাছাই করে এই হত্যাকাণ্ডের ক্লু খোঁজার কাজ চলছে।
এদিকে, সাগর-রুনির পরিবারের আইনজীবী শিশির মনির প্রত্যাশা ব্যক্ত করে জানান, জব্দকৃত সিডিগুলো যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই টাস্কফোর্স তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে সক্ষম হবে।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে হাইকোর্ট তদন্ত শেষ করার জন্য টাস্কফোর্সকে আরও ৬ মাস সময় মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে মামলার যাবতীয় নথিপত্র ও সিডি পর্যালোচনার অগ্রগতি আদালতকে অবহিত করতে আগামী ২০২৭ সালের ২৯ এপ্রিল টাস্কফোর্সের প্রধান ও প্রসিকিউটর তানভীর জোহাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট।