ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় সেতারা বেগম নামে ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা মাকে বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মেয়ের বিরুদ্ধে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। পরে অভিযুক্ত মেয়ে রিনা আক্তার রানু (৩৬) গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর গ্রামে বাদশা মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। সেতারা ওই বাড়ির হোসেন মিয়ার স্ত্রী।
জানা যায়, হঠাৎ রানু অন্যদেরকে একটি ঘরে অবরুদ্ধ করে ধারালো বটি দিয়ে মা সেতারা বেগমকে উপর্যুপরি কোপাতে থাকেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে রানু বটি হাতে নিয়ে ঘরের এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে দৌড়াতে থাকেন এবং দরজা ভেতর থেকে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে দাগনভূঞা থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর পুলিশ বসতঘরের লোহার দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।
এলাকাবাসী জানায়, কিছুদিন আগে রানুর মানসিক সমস্যা দেখা দিলে তার স্বামীকে হত্যার চেষ্টা করেন। এরপর স্বামীর বাড়ি থেকে তাকে বাবার বাড়িতে আনা হয়। মঙ্গলবার তাকে চিকিৎসার জন্য পাবনা মানসিক হাসপাতালে নেয়ার কথা ছিলো বলে জানান তার বড় বোন।
এদিকে পরিবারের দাবি, তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন রানু। দাগনভূঞা থানার ওসি ফয়জুল আজিম নোমান বলেন, ‘খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত রানুকে আটক করা হয়েছে।’
