আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভাইস চ্যান্সেলরের (ভিসি) পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চান অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, হঠাৎ করে পদত্যাগ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো প্রশাসনিক শূন্যতা বা অচলাবস্থা তৈরি করতে চান না। সরকার ও সংশ্লিষ্ট অংশীজন চাইলে ধারাবাহিকতার স্বার্থে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে তিনি রাজি আছেন।
মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় ভিসি কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চ্যুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমি সরে দাঁড়াতে চাই। তবে এই মুহূর্তে যেন কোনো শূন্যতা তৈরি না হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মুথ ট্রানজিশন নিশ্চিত হয়, সে বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সরকার যদি মনে করে আরও কিছু সময় দায়িত্ব পালন প্রয়োজন, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে তা বিবেচনা করতে রাজি আছি।
অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, কিছু গণমাধ্যমে তার বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করে পদত্যাগের খবর প্রচার করা হয়েছে, যা সঠিক নয়। “আমি এখনই পদত্যাগ করছি না। নির্বাচনের পর দায়িত্ব হস্তান্তরের কথা বলেছি, যোগ করেন তিনি।
নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে ঢাবি ভিসি বলেন, তিনি একটি বিশেষ ও আপৎকালীন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। আমি কখনোই এ দায়িত্বকে নিয়মিত চাকরি মনে করিনি। ভিসির দায়িত্ব আমার কাছে ছিল আমানতের মতো। ছাত্রদের অনুরোধ ও ভালোবাসায় আমি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম।
২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব নেয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম প্রায় অচল ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই সময় প্রথম লক্ষ্য ছিল শিক্ষাকার্যক্রম পুনরায় চালু করা এবং প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। প্রায় দেড় বছর পর আমরা সেই আপৎকালীন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। এখনো সীমাবদ্ধতা আছে, তবে সার্বিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা স্পষ্ট। অনেকদিন কঠিন পরিশ্রম করেছি। এখন আমার কিছু বিশ্রাম প্রয়োজন।

জাহাঙ্গীর আলম
৫ মাস আগেতিনি থাকলে ভালো