লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মেঘনা নদীর বিভিন্ন চরে অস্থায়ী হাট বসিয়ে ইলিশ কেনাবেচা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে এমন অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন ও চরাঞ্চলে নজরদারির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে নির্দিষ্ট স্থানের তথ্য পেলে নজরদারি বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন। সরকারঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৮ই অক্টোবর থেকে ২৯শে অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন নির্দিষ্ট এলাকা সমূহে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ। মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখা এবং ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। এ সময় জেলেদের জীবিকা নির্বাহে সরকারি খাদ্যসহায়তার ব্যবস্থাও রয়েছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রায়পুরের মেঘনা নদীসংলগ্ন বিভিন্ন চরে অস্থায়ী হাটে ইলিশ কেনাবেচা হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এসব স্থানে যে পরিমাণ ইলিশ বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে, নিষেধাজ্ঞার আগেও এমন দৃশ্য তাদের চোখে পড়েনি। এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুরের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জসিম উদ্দিনের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, নির্দিষ্ট স্থানের তথ্য অনুযায়ী তারা নজরদারি বাড়ানোর চেষ্টা করবেন। স্থানীয়দের দাবি, শুধু নদীর পরিচিত ঘাটে অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না। মেঘনার দুর্গম চরাঞ্চল, অস্থায়ী হাট, নৌপথ এবং মাছ পরিবহন ও মজুতের স্থানগুলোতেও নজরদারি বাড়াতে হবে।
রায়পুরে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশের হাট
রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
২৪ অক্টোবর (শনিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
