জাতীয় ক্রিকেট লীগের (এনসিএল) তৃতীয় রাউন্ডের শেষ দিনে থ্রিলার ম্যাচে ১০ রানের নাটকীয় জয় তুলে নেয় খুলনা বিভাগ। এ ছাড়া নিজেদের ম্যাচে জয় পেয়ে মাঠ ছেড়েছে সিলেট ও রাজশাহী বিভাগ। তবে ঢাকা ও ময়মনসিংহের মধ্যকার ম্যাচটি অমীমাংসিতভাবেই শেষ হয়েছে। গতকাল চট্টগ্রামের বিপক্ষে শেষ দিনে জয়ের জন্য ২৭৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২৬৪ রানেই গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম বিভাগ। আগের দিন মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদিকুর রহমানের ব্যাটে ম্যাচ বাঁচানোর যে লড়াই শুরু হয়েছিল, শেষ পর্যন্ত তা জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি চট্টগ্রাম। চোট পাওয়া সামিউন বশির রাতুলের কনকাশন সাব (বদলি) হিসেবে মাঠে নেমে বাঁহাতি স্পিনের ভেলকি দেখান রাকিব হাওলাদার। তিনি একাই শিকার করেন ৫টি উইকেট। বাকি ৪ উইকেট তুলে নেন শেখ মেহেদী হাসান। খুলনাকে রোমাঞ্চকর জয় উপহার দিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন বদলি নামা রাকিব।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অপর ম্যাচে রংপুর বিভাগকে ৩৭ রানে হারায় সিলেট বিভাগ। স্বাগতিকরা তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২৩৭ রানে অলআউট হয়। আগের দিন ৯৪ রানে অপরাজিত থাকা অমিত হাসান আজ সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়ে সাজঘরে ফেরেন। রংপুরের হয়ে আবু হাসিম নেন ৪ উইকেট। জবাবে ২৩৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সিলেটের দুই স্পিনার নাসুম আহমেদ ও নাঈম আহমেদের বোলিং তোপে ১৭৩ রানেই অলআউট হয়ে যায় রংপুর। অনিক সরকার একাই সর্বোচ্চ ৫৫ রান করলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। সিলেটের নাসুম ৫টি ও নাঈম ৪টি উইকেট নেন। দুর্দান্ত বোলিংয়ের সুবাদে ম্যাচসেরা হন নাঈম।
এদিকে বরিশালের বিপক্ষে ৮ উইকেটের দাপুটে জয় পায় রাজশাহী বিভাগ। প্রথম ইনিংসে ৪৫৭ রান করা রাজশাহীর বোলিং তোপে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৭৪ রানে গুটিয়ে যায় বরিশাল। রাজশাহীর হয়ে পেসার শফিকুল ইসলাম একাই নেন ৫ উইকেট। জয়ের জন্য মাত্র ৪৬ রানের সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে ১০.৫ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রাজশাহী। দিনের অন্য ম্যাচে ঢাকা ও ময়মনসিংহের লড়াই গড়ায় ড্র’তে। প্রথম ইনিংসে ঢাকা ৩৭৭ রান তোলার পর জয়ের লক্ষ্যে নেমে ৩ উইকেটে ১৬৭ রান তুলে দিন শেষ করে ময়মনসিংহ। আরিফুল ইসলাম করেন ৯২ রান। শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়ে দুই দল।
