সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে দীর্ঘ ৩২ বছর পর বন্দোবস্তকৃত এক একর ভূমির সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ভূমি অফিসের উদ্যোগে ওই জমির মাপজোক শেষে সীমানা চিহ্নিত করে আবেদনকারী ও তার পরিবারকে বুঝিয়ে দেয়া হয়। গতকাল সকাল ১১টায় উপজেলার শিমুলবাঁক ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম রামেশ্বপুর মৌজার আমরিয়া কান্দাহাটি খাড়ারপাড় গ্রামে এ সীমানা নির্ধারণের কাজ সম্পন্ন হয়। আমরিয়া গ্রামের মছদ্দর আলীর পৈতৃক বন্দোবস্তকৃত এক একর ভূমির সীমানা নির্ধারণ করেন পাথারিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শান্তিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য গোলাম রব্বানী, ইউপি সদস্য ফয়জুর রহমান, সার্ভেয়ার আবুল কালাম, ওই গ্রামের রুহুল আমিন, আব্দুল কাদির, মঞ্জুর আলী, রবিন মিয়া, কামাল হোসেন, আব্দুল গনিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
জানা যায়, মো. ছাব্বির আহমদের পিতা মছদ্দর আলী ১৯৯৪ সালের ১৮ই জুলাই ৪৫০৪ নম্বর কবুলিয়ত দলিলমূলে সরকারি ১ নম্বর খাস খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত পশ্চিম রামেশ্বপুর মৌজার এক একর ভূমি বন্দোবস্ত পান। ওই বন্দোবস্তের ভিত্তিতে তিনি জমিটির মালিকানা ও দখলে ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর পর ছেলে ছাব্বির আহমদসহ অন্যান্য উত্তরাধিকারী বিভিন্ন কারণে দীর্ঘ ৩২ বছরেও জমিটির সঠিক সীমানা নির্ধারণ করতে পারেননি। এ অবস্থায় ভূমির সঠিক মাপজোক ও সীমানা নির্ধারণের জন্য একজন সার্ভেয়ার নিয়োগের আবেদন জানিয়ে গত ১৭ই সেপ্টেম্বর শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর আবেদন করেন মো. ছাব্বির আহমদ। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী পাথারিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা জমিটির সঠিক মাপজোক করেন। পরে সীমানা চিহ্নিত করে আবেদনকারী ও তার পরিবারের সদস্যদের জমিটি বুঝিয়ে দেয়া হয়। এ বিষয়ে পাথারিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা বলেন, পুরনো স্কেপ ম্যাপ অনুযায়ী এবং বর্তমান হাল দাগের সঙ্গে মিলিয়ে মৃত মছদ্দর আলীর ছেলে মো. ছাব্বির আহমদের জমির সীমানা চিহ্নিত করে তাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।
শান্তিগঞ্জে ৩২ বছর পর বন্দোবস্তকৃত ভূমির সীমানা নির্ধারণ
শান্তিগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
১৯ অক্টোবর (সোমবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
