খানাখন্দে ভরপুর নাগেশ্বরীর বাসস্ট্যান্ড ওয়াপদা বাজার সড়ক

খানাখন্দে ভরপুর নাগেশ্বরীর বাসস্ট্যান্ড ওয়াপদা বাজার সড়ক

ফন্ট সাইজ:

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী বাসস্ট্যান্ড থেকে বেরুবাড়ী ইউনিয়নের ওয়াপদা বাজার সড়ক যেন এখন মরণফাঁদ। পুরো সড়ক জুড়েই বড় বড় গর্ত আর খানাখন্দে ভরপুর। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় সড়কে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। ধুলোবালিতে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন পথচারীরা। স্থানীয়দের অভিযোগ দীর্ঘদিন যাবৎ সড়কটির এমন বেহাল অবস্থা থাকলেও সংস্কারের উদ্যোগ নেই কতর্ৃৃপক্ষের।
স্থানীয়রা জানান, এই সড়কে প্রতিনিয়ত চাকরিজীবী, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারও মানুষ চলাচল করেন। বহু বছর আগে সংস্কার হলেও আবারো ভগ্নদশা সড়কটির। বর্ষা মৌসুমে এ সড়কে চলাচল করা একেবারেই অনুপযোগী। স্থানীয়রা আরও জানান, এই সড়কে প্রতিনিয়িত নিবন্ধনহীন ইটভাটার ট্রাক ও ট্রাক্টরের অবাধ চলাচলে এমন অবস্থা হয়েছে। ফলে রিকশা, ভ্যান, অটোরিকশা, মিশুক, জিএস, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ছোট যানবাহনগুলোও চলাচল করতে পারে না। সড়কের অধিকাংশ জায়গায় বড় বড় গর্ত থাকায় অনেক সময় দুর্ঘটনার শিকার হন যান চালক ও যাত্রীরা। এমনকি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাপড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও সময়মতো তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছাতে পারে না। অপরদিকে কোনো জরুরি রোগীকে হাসপাতালে নিতে গেলেও ঘটে দুর্ঘটনা।

ওয়াপদা বাজার এলাকার নাজমুল ইসলাম, বুলু মিয়া, আলতাফ হোসেনসহ আরও অনেকে জানান, সড়কগুলো ভগ্নদশা হওয়ায় চলাচলকারীরা অনেক ভোগান্তিতে পড়েন। ধুলোবালির কারণে পরিষ্কার জামা-কাপড় পরে অফিস কিংবা জরুরি প্রয়োজনে কোথাও বের হলে পোশাক পরিষ্কার থাকে না। এতে করে অনেকে সর্দি, কাশি, হাঁপানিসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। এ ছাড়াও অনেক সময় দুর্ঘটনার শিকার হন যাত্রী ও পথচারীরা। শফিকুল ইসলাম নামে একজন ব্যবসায়ী জানান, সোমবার ও বৃহস্পতিবার নাগেশ্বরী হাট বসায় এ সড়ক দিয়ে হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাদের কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হাটে কেনাবেচা করতে নিয়ে যায়। সড়কের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক হওয়ায় তারা সময়মতো তাদের উৎপাদিত পণ্য হাটে তুলতে না পেরে ন্যায্যমূল্য থেকেও বঞ্চিত হন। অবিলম্বে সড়কটি সংস্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
উপজেলা প্রকৌশলী এম.এ. ওয়াহেদ বলেন, সড়কটি সংস্কারে ইতিমধ্যে আম্ফান প্রকল্প থেকে টেন্ডার করা হয়ে গেছে এবং ঠিকাদার নিযুক্ত হয়েছে। ঠিকাদারকে আমরা চিঠি দিয়েছি অতিসত্বর কাজ শুরু করে জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করবেন ইনশাআল্লাহ্‌।