আশা ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে সবুজায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন

আশা ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে সবুজায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন

ফন্ট সাইজ:

আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের রাজধানীর উত্তরাস্থ স্থায়ী ক্যাম্পাসে সবুজায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার সকাল ১১টায় বনজ, ঔষধি ও পুষ্পজাতীয় গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান রাবেয়া আক্তার।

বৃক্ষ প্রকৃতির এক অনন্য সম্পদ। মানুষসহ পৃথিবীর সকল প্রাণী খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, ওষুধসহ জীবনধারণের প্রায় সকল উপাদানের জন্য উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। উদ্ভিদই অক্সিজেনের অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক উৎস, যা ছাড়া আমাদের জীবনধারণ অসম্ভব। অন্যদিকে, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে পৃথিবী আজ ঝড়-ঝঞ্ঝা, বন্যা, সুনামি ও পর্বতশৃঙ্গের বরফ গলার মতো নানা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি। এসব পরিবেশগত সমস্যা মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ কর্মসূচির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরাস্থ স্থায়ী ক্যাম্পাসে কয়েকশ ফুলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হবে। এর মাধ্যমে ক্যাম্পাসটিকে একটি সবুজ ও পরিবেশবান্ধব শিক্ষাঙ্গনে পরিণত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান রাবেয়া আক্তার বলেন, ‘আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম মো. সফিকুল হক চৌধুরী স্থায়ী ক্যাম্পাসের স্বপ্ন দেখেছিলেন। আজ তার সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ লাভ করেছে। এ জন্য আল্লাহর কাছে অনেক অনেক শুকরিয়া।’
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি করে গাছ লাগিয়ে ক্যাম্পাসের সবুজায়ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. রেজাউল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে গাছ লাগানোর এ উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. জাফর সিদ্দিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডিন, চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
এ কর্মসূচির মাধ্যমে আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাসকে সবুজায়নের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।