চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের ব্যবস্থা থাকলেও আগাম টাকা রিচার্জের বাধ্যবাধকতায় বিপাকে পড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। দ্রুত সমাধান না হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শাব্বির আহমদ প্রিন্স জানান, গত ৩০শে অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগে হাসপাতালের বৈদ্যুতিক মিটার, এমসিপি, ট্রান্সফরমার ও এসটি ক্যাব্ল পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়। পরে বিদ্যুৎ বিভাগের সহযোগিতায় অস্থায়ীভাবে সংযোগ চালু করা হয়। এ সময় আগের পোস্ট পেইড মিটারের পরিবর্তে প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়। তিনি বলেন, সরকারি আর্থিক বিধিবিধান অনুযায়ী বরাদ্দ পাওয়ার পর বিলের কপি সংযুক্ত করে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা হয়। কিন্তু প্রিপেইড মিটারে আগাম টাকা রিচার্জ করতে হওয়ায় সরকারি অর্থ পরিশোধ পদ্ধতির সঙ্গে সমন্বয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরও জানান, বিষয়টি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তা ও সচিবকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। চিঠি দেয়ার ১৬ দিন পার হলেও এখনো কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান না হলে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও জরুরি চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল হক বলেন, পোস্ট পেইড মিটার দিতে হলে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি প্রয়োজন। সরকারি আর্থিক বিধিবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
