সিলেটের কানাইঘাট সোনারখেওড় সীমান্তে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গুলিতে খালেদ আহমদ নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে- ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ও খাসিয়াদের গুলিতে তিনি মারা গেছেন। ভারতের আকুয়া সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। নিহত খালেদ আহমদ এরালীগুল গ্রামের মৃত ফজলু মিয়ার ছেলে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন- বৃহস্পতিবার বিকালে স্থানীয় চোরাকারবারি ময়নুল হকের সঙ্গে খালেদ আহমদ দনা ১৩৩৩ নং মেইন পিলারের সীমান্তবর্তী মিকিরপাড়া এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারতের আকুয়া এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করলে বিএসএফ বা খাসিয়ার গুলিতে তিনি মারা যান। গতকাল বেলা দু’টা পর্যন্ত তার লাশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নো-ম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় পড়ে ছিল। নিহতের ভাই সালাহ উদ্দিনের বরাত দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাজিম উদ্দিন জানান, লাশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মিকিরপাড়া এলাকায় পড়ে রয়েছে। তিনি ঘটনাটি থানা পুলিশ ও বিজিবিকে অবহিত করেছেন।
এ বিষয়ে দনা বিজিবির ক্যাম্প টুআইসি জলিল খান জানিয়েছেন, সীমান্তে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। বিএসএফের পক্ষ থেকে গুলি করার বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে। তবে খাসিয়াদের সুপারি বাগান থেকে ধাওয়ার মুখে পড়ে একজন নিখোঁজ থাকার কথা শোনা যাচ্ছে। নিখোঁজ ব্যক্তির অবস্থান শনাক্তে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি। কানাইঘাট থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের গুলিতে খালেদ আহমদ নিহত হওয়ার সংবাদ বিজিবি’র পক্ষ থেকে থানায় জানানো হয়নি। এদিকে- গত ১০ই অক্টোবর শাহীন আহমদ নামে যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়ার পর ৫ দিনের মাথায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
