প্রথম ইনিংসে ৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন হাসান মাহমুদ। এবার টেস্টের সেই অভিজাত ক্লাবে প্রবেশ করলেন ইবাদত হোসেন। আবুধাবি টেস্টে আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে প্রতিপক্ষের ওপেনার আবদুল মালিককে সাজঘরে ফিরিয়েই এই কীর্তি গড়েন ৩২ বছর বয়সী এই পেসার। তিনি বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের পঞ্চম পেসার হিসেবে ৫০ উইকেটের অভিজাত ক্লাবে জায়গা করে নিয়েছেন।
বাংলাদেশের পক্ষে পেসারদের মধ্যে ৫০ বা তার বেশি উইকেট শিকারের কীর্তি রয়েছে মাত্র পাঁচজনের—মাশরাফি বিন মুর্তজা, শাহাদাত হোসেন রাজিব, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেন। এই পাঁচজনের মধ্যে ম্যাচের হিসাবে বাংলাদেশের দ্রুততম ৫০ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডটি ২৭ বছর বয়সী পেসার হাসান মাহমুদের দখলে। ২০২০ সালে অভিষিক্ত এই পেসার মাত্র ১৭টি টেস্টে খেলেই ৫০ উইকেটের দেখা পান। এই তালিকায় দুই নম্বরে রয়েছেন বর্তমানে বাংলাদেশ পেস ইউনিটের নেতা তাসকিন। হাসানের চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেলে, অর্থাৎ ১৮ ম্যাচে ৫০ উইকেটের দেখা এই পেসার। টাইগার সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ৫০ উইকেটের অভিজাত ক্লাবে নাম লেখান ১৯ টেস্টে। বাংলাদেশের প্রথম দিকের পেসার শাহাদাত ৫০ উইকেট পান নিজের ২১তম টেস্টে, তিনি আছেন চারে। আর সবশেষ নাম লেখানো এবাদতের লেগেছে ২৬ ম্যাচ। বাংলাদেশিদের মধ্যে ম্যাচের হিসেবে দ্রুততম ৫০ উইকেট নেয়ার রেকর্ড হাসানের দখলে থাকলেও ইনিংসের হিসাবে সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। নড়াইল এক্সপ্রেস খ্যাত এই পেসার মাত্র ২৭ ইনিংসে ৫০ উইকেট নেওয়ার সাফল্য দেখান তিনি। ৩০ ইনিংস নিয়ে এই তালিকায় দুইয়ে নেমে গেছেন হাসান। এই তালিকায় পরের স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে— শাহাদাত (৩১ ইনিংস), তাসকিন (৩৩ ইনিংস) ও এবাদত (৪১ ইনিংস)।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের এপ্রিলে ফতুল্লায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে এই রেকর্ড গড়েন মাশরাফি। ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শাহাদাত এবং চলতি বছরের মে মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে তাসকিন এই ক্লাবে যুক্ত হন। বর্তমানে টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৮ উইকেটের মালিক মাশরাফি। এরপর যথাক্রমে রয়েছেন শাহাদাত (৭২টি), তাসকিন (৫৯টি), হাসান (৫১*টি) এবং এবাদত (৫০*টি)।
