জাতীয় ক্রিকেট লীগের প্রথম রাউন্ডের পর দ্বিতীয় রাউন্ডেও দাপট ধরে রেখেছেন ব্যাটাররা। এ রাউন্ডের তৃতীয় দিন শেষে সেঞ্চুরি পেলেন আট ব্যাটার। দ্বিতীয় দিনে সেঞ্চুরির অপেক্ষায় থাকা ইফরান শুক্কুর তৃতীয় দিনের শুরুতে তিন অঙ্কের মাইলফলকে পৌঁছান। সেঞ্চুরির কাছে গিয়ে হতাশ করেন রাজশাহীর ব্যাটার হাবিবুর রহমান সোহান। ৮৩ বলে ৯০ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন ডানহাতি এ ব্যাটার। প্রথম রাউন্ডে তিন ম্যাচ ড্র হয়েছিল। কেবল খুলনা-বরিশাল ম্যাচের ফল নিষ্পত্তি হয়। দ্বিতীয় রাউন্ডে বেশিরভাগ ম্যাচের ফল ড্রয়ের দিকে এগুচ্ছে। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ঢাকার প্রথম ইনিংসে ৫৪৭ রানের জবাবে ৫ উইকেটে ৪৩১ রান করে তৃতীয় দিন শেষ করে সিলেট। দলের হয়ে আসাদুল্লাহ আল গালিব ৮৯ ও শোয়াইব আলী ৬০ রান করে আউট হন। ৮১ রানে অপরাজিত মো. আশরাফুল হাসান রিয়াদ। তোফায়েল আহমেদ রায়হান অপরাজিত ৫৬ রানে।
প্রথম ইনিংসে এখনো ১১৬ রানে পিছিয়ে সিলেট। মিরপুরে রাজশাহীর বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৪৮৪ রানে অলআউট হয় খুলনা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেটে ৩০০ রান তুলে দিন শেষ করে রাজশাহী। ৮৩ বলে ৯০ রান করে আউট হন হাবিবুর রহমান সোহান। সাব্বির হোসেন করেছেন ৮৮ রান, নাঈম আহমেদ ৬৯। এখনো ৬৫ রানে পিছিয়ে রাজশাহী। কক্সবাজারে চট্টগ্রামের প্রথম ইনিংস থামে ৫৭৬ রানে। আগের দিনের ৯২ রানে অপরাজিত থাকা ইরফান শুক্কুর সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ১১২ রানে আউট হন। এটি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার তৃতীয় সেঞ্চুরি। বরিশালের হয়ে সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন অভি আহমেদ নোবেল। জবাবে ৪ উইকেটে ১৪৯ রান তুলে দিন শেষ করেছে বরিশাল। ইফতেখার হোসেন ইফতি ৭৪ রান করে আউট হন। প্রথম ইনিংসে চট্টগ্রামের চেয়ে ১৪৫ রানে পিছিয়ে বরিশাল।
সিলেট একাডেমি মাঠে ময়মনসিংহের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ২৯৫ রানে। দলের হয়ে আবু হায়দার রনি ৫২ রান করেন। বল হাতে একটি উইকেট পান তিনি। নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেটে ১৯৫ রান তুলে দিন শেষ করেছে রংপুর। আকবর আলী করেছেন ৭৪ রান। প্রথম ইনিংসে ১২৭ রানের লিড থাকায় সব মিলিয়ে ৩২২ রানে এগিয়ে রংপুর।
