ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর সম্ভাবনায় মার্কিন সামরিক বাহিনীকে প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে পেন্টাগন। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে অ্যাক্সিওস। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। সম্ভাব্য অভিযান কবে শুরু হতে পারে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট তারিখও দেয়া হয়নি। তবে চলতি মাসের শেষ দিকে ইসরাইলের নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগেই নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা অ্যাক্সিওসকে বলেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং ইরানের অর্থনীতি ধসে পড়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্র এখন অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।
ইরান ব্যাপকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। এখন দুটি পথের একটিতে বিষয়টি এগোবে- সহজ পথে অথবা কঠিন পথে। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, সব তাস প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতে রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য যা সবচেয়ে ভালো, তিনি সেটিই করবেন। অ্যাক্সিওসের সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরানে হামলা পুনরায় শুরু হলে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে থাকবে দেশটির পারমাণবিক স্থাপনা, অবকাঠামো এবং জ্বালানি খাতের স্থাপনা।
সংঘাত আবার শুরু হলে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীও এতে যুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি। এর আগে প্রশাসনের দুই কর্মকর্তা দ্য আটলান্টিক’কে জানিয়েছিলেন, নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানে হামলা পুনরায় শুরুর পরিকল্পনা তৈরি করতে পেন্টাগনকে বলেছে হোয়াইট হাউস। ওই কর্মকর্তারা সাময়িকীটিকে বলেছেন, সম্ভাব্য এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ট্রাম্প গ্যাসের দাম কমানোর ব্যাপারে যে তিনি গুরুতরভাবে উদ্যোগী- তা দেখাতে চান। ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে যখন নানা জল্পনা চলছে, তখন পেন্টাগনের এই প্রস্তুতির নির্দেশ নতুন করে ওয়াশিংটন-তেহরান সংঘাতের আশঙ্কা সামনে এনেছে। তবে ট্রাম্প চূড়ান্তভাবে অভিযান পুনরায় শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না, তা স্পষ্ট নয়।
