সিলেট জেলার ১৫টি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সরকারিকরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এই পত্রে তিনি সিলেটের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনা করে এসব হাইস্কুলকে সরকারিকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান। সরকারিকরণের জন্য প্রস্তাবিত ১৫টি হাইস্কুলের তালিকায় সিলেটের দক্ষিণ সুরমা ও বিয়ানীবাজার উপজেলার তিনটি করে প্রতিষ্ঠানকে রাখা হয়েছে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দু’টি হাইস্কুল গোলাপগঞ্জ উপজেলা থেকে স্থান পেয়েছে। এ ছাড়া কানাইঘাট, ওসমানীনগর, বিশ্বনাথ ও জকিগঞ্জ উপজেলার একটি করে হাইস্কুলেরও নাম সরকারিকরণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এদিকে, মহানগরীর তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও আছে তালিকায়। চিঠিতে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, শতবর্ষী স্কুল ও কলেজের তালিকা প্রেরণের প্রেক্ষিতে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বিবেচনায় নেয়া জরুরি।
এসব প্রতিষ্ঠান বৃটিশ আমল থেকে সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হয়ে অত্র অঞ্চলের সাধারণ ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসম্মত শিক্ষা বিস্তারে কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণ করা হলে এলাকার দীর্ঘদিনের শিক্ষাবৈষম্য দূর হবে বলেও উল্লেখ করা হয় চিঠিতে। সরকারিকরণের জন্য প্রস্তাবিত ১৫টি হাইস্কুল- সিলেট নগরী: দি এইডেড হাইস্কুল, রাজা গিরিশচন্দ্র মাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও কিশোরী মোহন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। দক্ষিণ সুরমা উপজেলা: রাখালগঞ্জ কৈলাশচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, লালবাজার উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ ও সিলাম পদ্মলোচন বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়।
গোলাপগঞ্জ উপজেলা: ঢাকা দক্ষিণ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং ভাদেশ্বর নাছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। বিয়ানীবাজার উপজেলা: লাউতা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, জমশেদ আহমদ উচ্চ বিদ্যালয় ও দুবাগ স্কুল অ্যান্ড কলেজ। অন্যান্য উপজেলা: জকিগঞ্জের গুরুসদয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বিশ্বনাথের একলিমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, কানাইঘাটের চতুল বাজারের দুর্গাপুর হাইস্কুল ও কলেজ এবং ওসমানীনগরের বেগমপুরের শরৎ সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়।
