মেসির বিদায়ী উৎসবে বেনিনের হুঙ্কার

‘আমরা এখানে ঘুরতে আসিনি’

মেসির বিদায়ী উৎসবে বেনিনের হুঙ্কার

ফন্ট সাইজ:

ফুটবল ইতিহাসের মহাতারকা লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচে প্রতিপক্ষ হওয়া যেকোনো খেলোয়াড়ের জন্যই সৌভাগ্যের। বিশ্বজুড়ে যখন এই ‘শেষ গান’র সাক্ষী হতে চলছে আবেগঘন অপেক্ষা, ঠিক তখনই বুয়েনস আয়ার্সে পা রেখে এক হুঙ্কার দিয়ে রাখলেন বেনিনের গোলকিপার মার্সেল দজিনু। আফ্রিকার দলটির প্রতিনিধি পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, তারা আর্জেন্টিনায় কেবল পর্যটক হয়ে ঘুরতে আসেননি এবং আবেগের বশে মেসিকে গোল উপহার দেয়ার কোনো সুযোগ নেই।

আগামীকাল বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে বেনিন। বুয়েনস আয়ার্সে পা রাখার পরপরই স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মার্কা’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজেদের মানসিকতা স্পষ্ট করেন দজিনু। দলের প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো সমস্যায় পড়িনি। বুয়েনস আয়ার্সে আমরা যথেষ্ট ভালো ও চমৎকার পরিবেশে আছি।’

মেসির বিপক্ষে খেলার রোমাঞ্চ লুকাতে না পারলেও নিজের পেশাদারিত্বের কথা দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেন এই গোলকিপার। তার সাফ কথা, ফুটবলে কোনো ছাড় দেয়া চলে না। ২৮ বছর বয়সী দজিনু বলেন, ‘আমরা বেনিনের হয়ে লড়তে এসেছি। ফুটবলে সবসময় এগারো জন বনাম এগারো জন খেলে। ফলাফলে আমরা জিততে পারি, ড্র হতে পারে কিংবা ওরাও জিততে পারে। দিনশেষে তো এটা ফুটবল। তবে আমরা আর্জেন্টিনায় পর্যটক হয়ে ঘুরতে আসিনি। আমরা খেলতে এবং লড়াই করতেই এসেছি।’

মেসির প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা থাকলেও মাঠে নেমে কোনো শিথিলতা দেখাবেন না তিনি। দজিনু বলেন, ‘মেসি আমাদের অন্যতম প্রিয় খেলোয়াড়, তাকে দেখেই আমরা বড় হয়েছি। তবে আমি একজন গোলকিপার, আর আমার কাজই হলো গোল ঠেকানো। একদম শেষ মিনিটেও যদি পেনাল্টি হয় এবং মেসি শট নিতে আসেন, আমি তা ঠেকানোর সর্বাত্মক চেষ্টা করব। কেউ আমাদের তাকে উপহার হিসেবে গোল দিতে বলেনি। মেসি নিজের যোগ্যতাতেই তা অর্জন করে নেবেন।’

এদিকে, ম্যাচ শেষে মেসির মূল্যবান জার্সিটি কার ভাগে পড়বে-তা নিয়ে বেনিন শিবিরে রীতিমতো কাড়াকাড়ি শুরু হয়েছে। হাসতে হাসতে দজিনু জানান, দলের সবাই মেসির জার্সিটি পাওয়ার প্রবল ইচ্ছা পোষণ করছেন।