প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বহুমত, বহুচিন্তা, বহুবর্ণের এক ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে চান। তাই তিনি ৩১ দফা বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা চান। আমি প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রতিফলন দেখছি চুনারুঘাটে। এ উপজেলায় পাহাড়ি, চা বাগান, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও সমতলের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে সহাবস্থান নিয়ে বসবাস করছেন সারা দেশে একটি মডেল উপজেলা হতে পারে চুনারুঘাট। কথাগুলো বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন। শুক্রবার রাত ৮টায় হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা কমপ্লেক্স মাঠে চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ আয়োজিত ৩৭ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি তিনি আরও বলেন, আমি চুনারুঘাটে না আসা পর্যন্ত বুঝতে পারতাম না, এখানকার বহুজাতিক মানুষের মধ্য যে এত মেলবন্ধন রয়েছে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় নানাভাবে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে চায় একটি গোষ্ঠী কিন্তু যা দেখলাম চুনারুঘাট ব্যতিক্রম। চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি ইত্তেফাক পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সালেহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম ফয়সল, নিউ এজ পত্রিকার সম্পাদক নূরুল কবীর, হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ, সহকারী পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন, চুনারুঘাটের সাবেক উপজেলার চেয়ারম্যান সৈয়দ লেয়াকত হাসান, সাবেক মেয়র নাজিম উদ্দীন সামসু।
উল্লেখ্য, চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ আয়োজিত দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের শুক্রবার ছিল দ্বিতীয় দিন। চুনারুঘাট উপজেলায় বসবাসরত ৫১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জাতি তাদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে। ধামাল, ঝুমুর নাচ, সাঁওতালদের বাহ নাচ, মনিপুরী নৃত্য, ত্রিপুরাদের হোজাগিরি নৃত্য ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে ওই অনুষ্ঠানে। নাটক চন্দ্রাবতী উপস্থিত সকল দর্শকদের মনোরঞ্জন দেয়। ঐতিহ্যবাহী সংগঠন চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপিত হয়েছে।
