খুলনার ডুমুরিয়ার মিকশিমিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জরাজীর্ণ অবস্থায় চলছে পাঠদান কার্যক্রম। সরজমিন গেলে এমনই দৃশ্য চোখে পড়ে। বৃষ্টি হলেই বারান্দাসহ স্কুলের ভেতর পানি জমে থাকায় বিপাকে পড়েন স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। জানা যায়, ১৯৫১ সালে চুকনগর-শাহাপুর রোডের মিকশিমিল বাজারের রাস্তার পাশে ৬১ শতাংশ জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয় স্কুলটি। ২০২৪ সালে বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। যদিও ২০০৮ সালে দুই কক্ষবিশিষ্ট একটি একতলা ভবন নির্মিত হয়, সেটা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। স্কুলটিতে বর্তমানে ২৫০ জন শিক্ষার্থী, ৮ জন শিক্ষক ও একজন অফিস সহকারী রয়েছেন। এ বছরও স্কুলটি থেকে ৪ শিক্ষার্থী প্রাথমিকে বৃত্তি লাভ করেছে। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আব্দুল মজিদ সরদার বলেন, ছাউনির টিনগুলো সব ছিদ্র হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। একটু বৃষ্টি হলেই পানি পড়ে।
এ ছাড়া স্কুলের সামনের জায়গা নিচু থাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ফলে ব্যাহত হচ্ছে ছেলে-মেয়েদের যাতায়াতসহ খেলাধুলা। অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, এখানে আমাদের বসার কোনো জায়গা নেই। একটু বৃষ্টি হলে ক্লাসে-মাঠে পানি জমে কাদা হয়ে যায়। আমরা ছেলে-মেয়েদের নিয়ে চিন্তিত থাকি। দ্রুত স্কুলটির উন্নয়ন করার দাবিও জানান তারা। বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গাজী সাইফুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ মো. নুরুল ইসলাম বলেন, আমি নতুন এসেছি। এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবিতা সরকার বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখে পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
