গভীর সমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল

বঙ্গোপসাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে জীবিত উদ্ধার

ফন্ট সাইজ:

গভীর সমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা ‘এফভি রিফাত’ নামের একটি ফিশিং বোট থেকে ১৩ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন মঙ্গলবার দুপুরে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। জানা যায়, গত ২৫শে সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে ১৩ জন জেলে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে সমুদ্রে গমন করেন। পরে মাছ ধরা শেষে গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে উপকূলে ফেরার পথে সেন্টমার্টিনের দক্ষিণে গভীর সমুদ্রে বোটটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে বোটে থাকা একজন জেলে কোস্ট গার্ডের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-তে ফোন করে সহায়তা চান।

খবর পেয়ে গভীর সমুদ্রে টহলে থাকা কোস্ট গার্ডের জাহাজ ‘বিসিজিএস সৈয়দ নজরুল’ তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে। সেন্টমার্টিন থেকে প্রায় ১২ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে ভাসমান অবস্থায় বোটসহ ১৩ জন জেলেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমুদ্রে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে তাদের এ ধরনের উদ্ধার অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
হৃদরোগ প্রতিরোধে সচেতনতাই হতে পারে প্রথম সুরক্ষা
স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে: হৃদরোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। তারা হৃদরোগের সূক্ষ্ম ও লুকায়িত লক্ষণগুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার বিশ্ব হার্ট দিবস-২০২৬ উপলক্ষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের হৃদরোগ বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত হেলথ স্ক্রিনিং কর্মসূচি ও আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।

হৃদরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কাজী শামীম আল মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এমপি মো. আবু সুফিয়ান। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. আনিসুল হোসেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন হৃদরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. নুরুদ্দিন তারেক। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। শরীরে দেখা দেয়া ছোটখাটো বা অস্পষ্ট লক্ষণকেও অবহেলা না করে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তারা বলেন, হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সচেতনতার বিকল্প নেই।

সময়মতো রোগ শনাক্ত করা গেলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও জীবনযাপনে পরিবর্তনের মাধ্যমে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। অনুষ্ঠানে হৃদরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আবু ইউছুপ মো. নুরদ্দীন জাহাঙ্গীর, ডা. এম সালেহ উদ্দিন সিদ্দিকী, ডা. মো. খোরশেদ আলম, ডা. এস এম ইফতেখারুল ইসলাম এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সাইফ উদ্দিন সোহাগ, ডা. সৈয়দ মিশকাতুন নূর, ডা. আজিজুর রহমান মজুমদার, ডা. ইকবাল মাহমুদসহ বিভাগের চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া মেডিসিনসহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও ফ্যাকাল্টি সদস্যরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।