মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ফোরামের ৭ম বৈশ্বিক সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় পুষ্টিসেবাকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অংশ করার উদ্যোগ তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার। আক্রায় আয়োজিত সম্মেলনে তিনি পুষ্টি, মাতৃ ও শিশুসেবা, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যকে সমন্বিত করে টেকসই অর্থায়ন ও শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
‘পরিবর্তনশীল পরিবেশের প্রেক্ষাপটে পুষ্টি’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত সম্মেলনে তিনি বলেন, পুষ্টি, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য, মাতৃ, নবজাতক ও শিশুসেবাকে সমন্বিত করতে যথেষ্ট বৈজ্ঞানিক প্রমাণ রয়েছে। এখন প্রয়োজন রাজনৈতিক অঙ্গীকার, টেকসই অর্থায়ন ও শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা।
বাংলাদেশের উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি জানান, প্রতিটি ইউনিয়ন ও শহুরে ওয়ার্ডে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করা হচ্ছে। প্রায় এক লাখ কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী এবং ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে।
ড. হায়দার বলেন, পুষ্টির সমন্বয় কাগজে নয়, সেবাদানের পর্যায়ে নিশ্চিত করতে হবে। অপুষ্টি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতের পাশাপাশি খাদ্যব্যবস্থা, শিক্ষা, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, সামাজিক সুরক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন ও স্থানীয় সরকারকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, আরও গবেষণার অপেক্ষায় না থেকে বিদ্যমান প্রমাণের ভিত্তিতে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। বাংলাদেশে পুষ্টিকে পৃথক প্রকল্প নয়, বরং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
সম্মেলনটি ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
