Warning: Trying to access array offset on false in /var/www/vhosts/mzamin.com/httpdocs/app/core/FileCache.php on line 28

Warning: Trying to access array offset on false in /var/www/vhosts/mzamin.com/httpdocs/app/core/FileCache.php on line 28
ক্লোন ফিঙ্গার ব্যবহার করে বিকাশ-নগদের অর্থ আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ৯ - MZamin

ক্লোন ফিঙ্গার ব্যবহার করে বিকাশ-নগদের অর্থ আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ৯

ফন্ট সাইজ:

বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার চিলা বাজার এলাকায় বিকাশ ও নগদের দুই ব্যবসায়ীর সিম ক্লোন করে আড়াই লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ৯টি স্মার্টফোন, ২টি বাটন ফোন ও ২০টি সিম জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা ৮০ হাজার ৭৪০ টাকা। মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাট পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম। তিনি জানান, চিলা বাজারের বিকাশ ও নগদের ব্যবসায়ী সেলিম শেখ (৪১) এর ২টি ও অপর বিকাশ ব্যবসায়ী বিপ্লব মণ্ডলের (৩৭) ১টি ব্যবসায়িক সিম গত ২৭শে জুন ভোর ৫টা থেকে সকাল ৭টা ২১ মিনিটের মধ্যে ক্লোনকৃত ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করে অত্যাধুনিক ডিজিটাল পদ্ধতিতে উত্তোলন করে প্রতারক চক্র।

পরে সিম ৩টি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সেগুলোতে থাকা মোট ২ লাখ ৫০ হাজার ৮৬৮ টাকা ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে ৬টি পৃথক বিকাশ ও নগদ নম্বরে স্থানান্তর করা হয়। ঘটনার পর ১লা জুলাই মোংলা থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের শনাক্ত করে মামলা হওয়ার দিনই অভিযান চালিয়ে মোংলার মামার ঘাট এলাকা থেকে ইয়াছিন সওদাগর (২১) ও মো. শামীম শেখ (২৭)কে গ্রেপ্তার করা হয়। শামীমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা ৮০ হাজার ৭৪০ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২২শে সেপ্টেম্বর বাগেরহাট সদর উপজেলার যাত্রাপুর ও ফকিরহাট বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া র‌্যাবের সহযোগিতায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে আরও ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- শরণখোলা উপজেলার নলবুনিয়া এলাকার ইয়াছিন সওদাগর (২১), মোংলার সুন্দরবন ইউনিয়নের শামীম শেখ (২৭), বাগেরহাট সদর উপজেলার বাগদিয়া এলাকার রাশেদ মোড়ল (২০), মোরেলগঞ্জ পৌরসভার পূর্ব সরালিয়া এলাকার এহসানুল হাসান রাকিব (৩২), পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বানাতিবাজার এলাকার ফেরদাউস (২১), মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ষোলআনী এলাকার আশ্রাফুল ইসলাম (২৬), একই উপজেলার জাইসতালা এলাকার মেহেদী হাসান (২৯), বরগুনা সদর উপজেলার বালিয়াতলী এলাকার মো. নাজমুল হাসান (২০) এবং পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ভয়াং এলাকার মো. মামুন গাজী (২১)। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও সিম পরীক্ষা করে বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনের তথ্য এবং নমুনা ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংরক্ষিত অবস্থায় পাওয়া গেছে। উদ্ধার করা আলামত ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণে তাদের ঘটনার সঙ্গে প্রাথমিকভাবে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।