জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের (বীরবিক্রম) এপিএস আকবর হোসেন সবুজকে ঘিরে দু’টি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। এ ধরনের প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন লালমোহন উপজেলার সচেতন মহল, সুশীল সমাজ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এ ঘটনায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, আকবর হোসেন সবুজের মানহানি ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে তথ্য-প্রমাণ ছাড়া কিছু মনগড়া ঘটনার সঙ্গে তাকে সম্পৃক্ত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হলেও, সেসব অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য তথ্য, নথি বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। এদিকে, লালমোহন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক কুন্তলা সিকাদার জানান, আকবর হোসেন সবুজ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করছেন। তাকে নিয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে তা যাচাই-বাছাই করে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা উচিত। এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিশেষ করে স্পিকারের নির্বাচনী এলাকা ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) এলাকার সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন।
এ বিষয়ে এপিএস আকবর হোসেন সবুজ বলেন, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে স্পিকার মহোদয় জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধেও তার কঠোর অবস্থান রয়েছে। এসব বিষয়ে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে গিয়ে একটি চক্র বিভিন্ন অভিযোগ তুলে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে আমি মনে করি। এ ছাড়া সংসদ সচিবালয়ে কিছু পেপার কার্ড তারা দিয়েছে। তবে সেখানে উল্লেখ করা বিষয়গুলো মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের ঘটনা। সেগুলোকে বর্তমান সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে উপস্থাপন করা বিভ্রান্তিকর।
