উপনিবেশোত্তর সমাজ ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রসঙ্গে

ইতিহাস, ভাষা ও শিক্ষার ঔপনিবেশিক রাজনীতি-১৫

উপনিবেশোত্তর সমাজ ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রসঙ্গে

ফন্ট সাইজ:

রোমিলা থাপার মনে করেন, এমনকি বর্তমানকালের ইতিহাসবিদদের অনেকের ভেতর ‘প্রচ্ছন্ন রূপে হলেও’, ঐতিহাসিক কালবিভাজনের জেসম মিল-প্রবর্তিত ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক রীতি বিদ্যমান রয়েছে। ১১১ বলার অপেক্ষা রাখে না, ভারতীয় ইতিহাস চর্চার এই ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি, ভারতীয় রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করার মাধ্যমে, ভারতীয় জনগণকেও সাম্প্রদায়িকভাবে বিভক্ত করে ফেলেছিল- যা আবার ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানে, ১৯৪৭ সালে, ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে ভারত ও বাংলা বিভাজনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
যাই হোক, ভারতীয় ইতিহাস চর্চায় জেসম মিলের ধর্মভিত্তিক কালবিভাজনের রীতিতে উদ্বুদ্ধ গবেষকদের উদাহরণ হিসেবে, ভারতেরই ‘খ্যাতিমান’ বাঙালি ইতিহাসবিদ স্যার যদুনাথ সরকারের (১৮৭০-১৯৫৮) ইতিহাসচর্চার স্বরূপটিকে পেশ করা যেতে পারে। প্রাক-ঔপনিবেশিক বাংলার ইতিহাসের ওপর তিনটি অধ্যায় রচনাসহ ২৬টি অধ্যায় সংবলিত নিজের সম্পাদিত গ্রন্থে - দ্য হিস্টরি অব বেঙ্গল :মুসলিম পিরিয়ড :১২০০ এ.ডি.-১৭৫৭ এ.ডি.- সরকার মিলকৃত ধর্মভিত্তিক ঐতিহাসিক কালপর্বই অনুসরণ করেছেন। শুধু তা-ই নয়, ভারতীয় ইতিহাস চর্চায় তিনি ব্রিটিশ উপনিবেশবাদী দৃষ্টিভঙ্গিও, যা কিনা ভারতের উপনিবেশায়নকে একটি ইতিবাচক প্রপঞ্চ হিসেবে বিবেচনা করে, নির্দ্বিধায় গ্রহণ করেছেন। কেননা, তার সম্পাদিত গ্রন্থের স্বরচিত সর্বশেষ অধ্যায়ে তিনি লিখেছেন, পলাশীর যুদ্ধে বাংলার ‘স্বাধীন’ নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার পতনের মাধ্যমে ভারতে ব্রিটিশ শাসনের সূত্রপাতের ঘটনাটি ছিল ‘বাংলার তরফে এক মহান নতুন জগতে প্রবেশের সিংহদ্বারে উপনীত হওয়া’, যেখানে, সৌভাগ্যক্রমে, ‘এক অদ্ভুত নিয়তি বাংলাকে পৌঁছে দিয়েছিল’।১১২ সিরাজের পতনের তারিখকে, ২৩ জুন ১৭৫৭, তিনি ‘ভারতে মধ্যযুগের অবসান ও আধুনিক যুগের সূচনা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, ‘এটা ছিল ধীরে আবির্ভূত কল্পনাতীত এক মহিমান্বিত প্রভাতের সূচনা, যা ইতিপূর্বে পৃথিবীর ইতিহাস জগতের অন্য কোথাও প্রত্যক্ষ করেনি’।১১৩ ভারতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন সূচনার এই ঘটনাটিকে তিনি ‘ইউরোপীয় রেনেসাঁর চেয়েও বিস্তৃত, গভীর ও বৈপ্লবিক প্রপঞ্চ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে লিখেছেন, ‘এটা ছিল গোটা ভারতবর্ষের জন্য এক আলোকবর্তিকাস্বরূপ- ব্রিটিশ সভ্যতার আলোয় পথচলা শুরুর এক অনন্য মুহূর্ত’।১১৪ যদুনাথ সরকারের মতে, বাংলায় ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার কল্যাণে, ‘স্থবির [ভারতীয়] প্রাচ্য সমাজের শুকনো হাড়ে, স্বর্গ থেকে নেমে আসা এক জাদুকরের জীয়ন কাঠির স্পর্শে, প্রাণের স্পন্দন জেগে ওঠে’১১৫ আর এই সময় থেকে ‘মাত্র বিশ বছরের মধ্যে’, ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মনোনীত বাংলার গভর্নর ‘ওয়ারেন হেস্টিংস-এর শাসনকাল পর্যন্ত (১৭৫৭-১৭৭৬)’, বঙ্গভূমি ‘মধ্যযুগীয় ধর্মতান্ত্রিক শাসনের অভিশাপ থেকে পরিত্রাণ পেতে শুরু করে’, এবং ‘পশ্চিমা সভ্যতার’ স্পর্শে এখানে ‘শিক্ষা, সাহিত্য, সমাজ, ধর্ম, কারুশিল্প, রাজনীতি প্রভৃতি পুনরুজ্জীবন লাভ করে’।১১৬
যদুনাথ সরকারের উপরিউক্ত বয়ান থেকে মনে হওয়া স্বাভাবিক যে, রবার্ট ক্লাইভ বুঝিবা এক উন্নত সভ্যতার মূর্ত প্রতীক ছিলেন, যিনি ‘অসভ্য’ বাংলায় সভ্যতার আলোকবর্তিকা হাতে পলাশীর যুুদ্ধে বিজয় লাভের মাধ্যমে দারিদ্র্যক্লিষ্ট ও পশ্চাৎপদ ভারতবর্ষে সভ্যতা ও সমৃদ্ধির শুভ সূচনা করেছিলেন। কিন্তু ব্যাপারটা মোটেও তা ছিল না। মার্কিন ইতিহাসবিদ উইলিয়াম জেমস ডুরান্ট (১৮৮৫-১৯৮১) তার ১৯৩০ সালে প্রকাশিত দ্য কেইস ফর ইন্ডিয়া গ্রন্থে লিখেছেন, ক্লাইভসহ ভারতীয় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তাদের অধিকাংশই ছিল ‘প্রতারক’, ‘লোভী’, ‘নীতি-নৈতিকতা বিবর্জিত’ লোক, যারা ‘ভারতের এক সাময়িক অস্থিরতার সময়কালে’, ‘ঘুষ, হত্যা, চুরি ও বিধ্বংসী আগ্রাসনের মাধ্যমে’ দেশটিকে করায়ত্ত করে, ‘ভারতের সম্পদ অবৈধভাবে লুটপাটের প্রক্রিয়া শুরু করেছিল’ এবং ‘বিগত ১৭৩ বছর ধরে সেই অবৈধ লুটপাট প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে’।১১৭ উত্তর ভারতীয় রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবী ড. শশি থারুরের গবেষণালব্ধ এক হিসাব থেকে জানা যায়, বাংলার মসনদ থেকে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলাকে ক্ষমতাচ্যুত করে ‘নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী মীর জাফর আলী খানকে ক্ষমতাসীন করার বিনিময়ে’, কোম্পানির ‘বিজয়ের বখরা’ হিসেবে, সেই ১৭৫৭ সালে, ২.৫ মিলিয়ন পাউন্ড, যা আজকের মূল্যমানে ২৫০ মিলিয়ন পাউন্ড, কোম্পানির লন্ডনস্থ কোষাগারে পাঠিয়েছিল।১১৮ খ্যাতিমান বাঙালি ঐতিহাসিক সুপ্রকাশ রায়ের গবেষণালব্ধ হিসাব অনুযায়ী, রবার্ট ক্লাইভ ‘পলাশীর যুদ্ধ বিজয়ের পুরস্কারস্বরূপ মীর জাফরের নিকট হইতে দুই লক্ষ বত্রিশ হাজার পাউন্ড (৩৫ লক্ষ ১০ হাজার টাকা) আত্মসাৎ করে’। কোম্পানির অপরাপর কর্মকর্তারাও মীর জাফরের নিকট থেকে বিপুল পরিমাণ উৎকোচ উপঢৌকন গ্রহণ করে। ১৭৬৬ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিযুক্ত ‘অনুসন্ধান কমিটির’ প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে সুপ্রকাশ রায় লিখেছেন, ‘১৭৫৭ হইতে ১৭৬৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারীরা বাংলা ও বিহার হইতে মোট ৬০ লক্ষ পাউন্ড অর্থাৎ নয় কোটি টাকা উৎকোচ গ্রহণ করিয়াছিল’।১১৯
দ্বিতীয়ত, প্রাক-ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষ, তৎকালীন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায়, মোটেই কোনো পশ্চাৎপদ দরিদ্র রাষ্ট্র ছিল না। প্রাক-ঔপনিবেশিক ভারত সম্পর্কে প্রখ্যাত মার্কিন মানবাধিকার আন্দোলনের নেতা ও ইতিহাসবিদ জাবেজ টি সান্ডারল্যান্ড (১৮৪২-১৯৩৬) লিখেছেন, “ইউরোপের যেকোনো দেশের তুলনায়, এশিয়ারও, ভারত অনেক বেশি শিল্পায়িত ও উৎপাদক দেশ ছিল। ভারতের বয়নশিল্পজাত পণ্য- সুতা, পশম, লিনেন ও সিল্ক থেকে উৎপন্ন দ্রব্য- সভ্য জগতের সর্বত্রই বিখ্যাত ছিল। ভারতের অপরূপ গয়না, নানা আকারে কাটা মূল্যবান পাথর ও তার নানা আকৃতি, রং ও গুণসম্পন্ন মৃৎপাত্র, চিনামাটির বাসন ও সিরামিক দ্রব্যাদি ইত্যাদিও ছিল জগদ্বিখ্যাত। তাছাড়া, ভারতে নির্মিত লোহা, ইস্পাত, রুপা ও স্বর্ণজাত দ্রব্যাদিরও জগৎজোড়া খ্যাতি ছিল।”১২০ উল্লেখ্য, ‘আঠারো শতকের শুরুতে, দুনিয়ার সামষ্টিক অর্থনীতিতে ভারতের অংশ ছিল ২৩ শতাংশ, যা ছিল তৎকালীন গোটা ইউরোপের সমষ্টিগত অংশের সমান’।১২১
কিন্তু, ইতিপূর্বেই আমরা দেখেছি, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শক্তির শোষণ-নিপীড়ন ও নির্মম লুটতরাজের ফলে কীভাবে বাংলার নানা রকম শিল্পের ধ্বংস সাধিত হয়েছিল। অন্যদিকে, ভূমির ওপর ভয়াবহ পরিমাণে করারোপের মাধ্যমেও বাংলার কৃষককে নির্মমভাবে শোষণ করা হয়েছিল। বাংলায় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পর থেকে, মাত্র ত্রিশ বছরের মধ্যে, ইংরেজের ভূমিকর আদায়ের পরিমাণ বাৎসরিক ৮,১৭,৫৫৩ পাউন্ড স্টার্লিং থেকে ২৬,৮০,০০০ পাউন্ড স্টার্লিং-এ বৃদ্ধি পেয়েছিল।১২২ ভারত শাসনে ‘ইংরেজের মূলনীতি’ ব্যাখ্যা করে, বাংলায় কর্মরত একজন ব্রিটিশ প্রশাসক, এফ জে শোর (১৭৯৯-১৮৯৭), হাউস অব কমন্সে ১৮৫৭ সালে প্রদত্ত এক জবানবন্দিতে স্বীকার করেছিলেন যে, “ইংরেজ জাতির স্বার্থে, গোটা ভারতবর্ষকে সম্ভাব্য সকল উপায়ে আজ্ঞাবহ করে তোলাই ছিল ভারতে ইংরেজ শাসনের মূলমন্ত্র। ভারতীয় জনগণের ওপর সর্বোচ্চ পরিমাণে করারোপ করা হয়েছে, প্রতিটি ভারতীয় প্রদেশ ইংরেজ শাসনের অধিভুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই অঞ্চলগুলো উচ্চতর হারে কর আদায়ের ক্ষেত্রে পরিণত হয়। আমরা সবসময় অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে আলাপ করি যে, স্থানীয় শাসকদের তুলনায় আমরা কতো বেশি হারে রাজস্ব আদায় করতে পারছি”।১২৩ স্থানীয় শাসকদের তুলনায় ইংরেজদের ‘বেশি হারে’ রাজস্ব আদায়ের উৎকট উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, বাংলা ও বিহারে রাজস্ব আদায়ের ভার গ্রহণ করার প্রথম বর্ষেই, ১৭৬৫-১৬৬৬ সালে, ইংরেজ কোম্পানি পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ‘দ্বিগুণ’ রাজস্ব আদায় করেছিল। এই অঞ্চলে ১৭৬৪-১৭৬৫ সালে মুঘল প্রশাসন কর্তৃক আহরিত রাজস্বের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ২৩ লক্ষ টাকা, আর পরের বছরেই ইংরেজ কোম্পানির আদায়কৃত রাজস্বের পরিমাণ ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা।১২৪ বিশপ রেজিল্যান্ড হেবার (১৭৮৩-১৮২৬), যিনি ‘কলকাতার বিশপ’ হিসেবে জীবনের শেষ তিন বছর দায়িত্ব পালন করেছিলেন, যথার্থই লিখেছিলেন, “কোম্পানি শাসিত প্রদেশগুলোর কৃষক সমাজের অবস্থা, স্থানীয় নবাবদের শাসিত প্রজাদের তুলনায় বেশি খারাপ ছিল- তারা অনেক বেশি গরিব ও হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল”।১২৫
স্পষ্টতই, বাংলায় ব্রিটিশ শাসন প্রবর্তনের মধ্যদিয়ে এই অঞ্চলের নানামুখী প্রগতিশীল উন্নয়নের যে মহিমান্বিত চিত্র বাঙালি ইতিহাসবিদ যদুনাথ সরকার অঙ্কন করেছেন, তার সঙ্গে ঐতিহাসিক বাস্তবতার মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। সর্বোপরি, তিনি যে গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংসের শাসনামলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন, সেই শাসনামলেই, ১৭৬৯-১৭৭০, বাংলায় সবচেয়ে বিধ্বংসী দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হয়েছিল, যে দুর্ভিক্ষে বাংলার এক কোটি মানুষ অন্নাভাব ও অনাহারপ্রসূত রোগে মৃত্যুবরণ করেছিল। আমরা অচিরেই দেখবো যে, এই কুখ্যাত দুর্ভিক্ষের পেছনে প্রধানত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি, দুঃশাসন ও স্থানীয় জনসাধারণের জীবন-জীবিকার ব্যাপারে ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ সরকারের নির্মানবিক নির্বিকারত্বই দায়ী ছিল। তাছাড়া, এই ওয়ারেন হেস্টিংসের বিরুদ্ধে খোদ ব্রিটিশ শাসকশ্রেণিরই একাংশ, ১৭৮৭ সালে, ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিল এবং সেই ‘অপরাধে’ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট তাকে অভিশংসিতও করেছিল, যদিও দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ায়, ব্রিটিশ শাসকদের অপরাংশের সহযোগিতায়, শেষ পর্যন্ত, ১৭৯৫ সালে, তিনি অভিশংসন থেকে মুক্তি লাভ করেছিলেন।

তথ্যসূত্র:
১১১ রোমিলা থাপার, “ভারতবিদ্যায় ডি ডি কোসাম্বির অবদান”, (অনু.) চৌধুরী মুফাদ আহমেদ, ‘নতুন দিগন্ত, সম্পা., সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ঢাকা, জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২৫, পৃষ্ঠা: ৮৪-১১০
১১২ Sir Jadurath Sarkar, “The End of Muslim Rule” in Sir Jadunath Sarkar (ed.) The History of Bengal : Volume II, Muslim Period : 1200 A.D.-1757 A.D., p. 499
১১৩ প্রাগুক্ত, p. ৪৯৭
১১৪ প্রাগুক্ত p. ৪৯৮
১১৫ প্রাগুক্ত
১১৬ প্রাগুক্ত
১১৭ ডুরান্টের পুরো উদ্ধৃতির জন্য দেখুন, Shashi Tharur, An Era of Darkness : The British Empire in India, p.2
১১৮ প্রাগুক্ত, ঢ়. ৫
১১৯ সুপ্রকাশ রায়, ভারতের কৃষক বিদ্রোহ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রাম, পৃষ্ঠা: ৯
১২০ প্রাগুক্ত, p.৩
১২১ প্রাগুক্ত, p.৪
১২২ প্রাগুক্ত, p. ২২
১২৩ এফ. জে. শোরের উদ্ধৃতির জন্য দেখুন, প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ১৯-২০
১২৪ সুপ্রকাশ রায়, ভারতের কৃষক বিদ্রোহ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রাম, পৃষ্ঠা: ১২
১২৫ বিশপ হেবারের উদ্ধৃতির জন্য দেখুন, প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ১৯