রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠ থেকে ককটেল উদ্ধারের পর এবার রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থান এলাকা ঘিরে রেখেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ান (এসআরবি)। সোমবার সন্ধ্যার পর রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের ভেতর থেকে একটি ব্যাগে বিপুল পরিমান ককটেল থাকতে পারে বলে সেখানে অভিযান চালাচ্ছে এসআরবির-২ এর একটি বিশেষ টিম। বর্তমানে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ব্যাগটির ভেতরে ঠিক কি আছে তা যাচাই-বাছাই করছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-২ এর স্পেশাল কোম্পানি অধিনায়ক সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার হাসান মুহাম্মদ মুহতারিম। তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার বিকেলে গণভবনের পেছনে পুরাতন বাণিজ্যমেলার মাঠে ককটেল ও পেট্রল বোমা সদৃশ কিছু বস্তুর তথ্য পাই আমরা। এরপর এসআরবি-২ এর একটি বিশেষ দল এবং এসআরবি বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। একই সঙ্গে সেখান থেকে ককটেল ও পেট্রোল বোমা উদ্ধার করে সেগুলোকে নিষ্ক্রিয় করা হয়। এরপরেই, রাজধানীর রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানেও একই রকম কিছু ককটেল বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। বর্তমানে, এসআরবি-২ এর স্পেশাল কোম্পানির একটি বিশেষ দল উক্ত স্থানকে নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঘিরে রেখেছে এবং এসআরবি বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সেখানে পৌছানোর পর প্রয়োজনীয় নিষ্ক্রিয়করণ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
এর আগে সোমবার বিকাল থেকে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠ ঘিরে রাখে এসআরবি’র সদস্যরা। সেখানে বিপুলসংখ্যক ককটেল ও পেট্রোল বোমা উদ্ধারের পর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। অভিযানে ২০টির বেশি ককটেল ও পেট্রোল বোমার সন্ধান পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে এসআরবি-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নায়মুল হাসান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাবেক বাণিজ্য মেলার মাঠে অভিযান চালিয়ে এসব বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের মাধ্যমে উদ্ধার করা বিস্ফোরকগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে সাধারণ মানুষের চলাচলও নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
তবে উদ্ধার করা বিস্ফোরকগুলো সেখানে কিভাবে এলো এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। উদ্ধার অভিযান ও বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করার কাজ শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। এসআরবি’র স্কোয়াড্রন লিডার নিফাজ গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে। একটি ব্যাগের ভেতর বেশ কিছু বোমা পাওয়া গেছে। সেখানে আরও বিস্ফোরক রয়েছে কি না, তা জানতে পুরো এলাকায় তল্লাশি চলছে।
