উৎসবের মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ আসার সম্ভাবনা যখন নেই বললেই চলে এবং বাংলাদেশও ভারতের গুজরাটের ইলিশ আমদানি যখন আকস্মিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে—সেই বিতর্কের মধ্যে শনিবার নয়া দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন এক বর্ণিল ইলিশ উৎসবের আয়োজন করেছিল।
এই উৎসবে বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ এবং এর সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. রিয়াজ হামিদুল্লাহ নয়াদিল্লি থেকে বিদায় নেয়ার আগে এই জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ইলিশের নানা পদের সমাহার ছিল।
ভারতের বেশ কয়েকজন রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদের ইলিশ উৎসবে উপস্থিত থেকে বাংলাদেশের সুস্বাদু ইলিশের স্বাদ নিয়েছেন।
সূত্রে জানা গেছে, এই ইলিশ উৎসবের জন্য বাংলাদেশ থেকে বিশেষ আয়োজনে আনা হয়েছিল পদ্মা-মেঘনার ইলিশ।
বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. রিয়াজ হামিদুল্লাহ অনুষ্ঠানে বলেন, ‘ইলিশ মাছ তার দেশের পরিচয় ও অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। তিনি জানান, বাংলাদেশে ইলিশের পাঁচটি অভয়াশ্রম রয়েছে এবং এই মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর ফলে ইলিশ সংরক্ষণ ও উৎপাদন ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
