এলপিজির নিরাপদ ব্যবহার, অগ্নিনিরাপত্তা ও জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় বিষয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সচেতন করতে ময়মনসিংহে এলপিজি নিরাপত্তাবিষয়ক একটি সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করেছে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ফ্রেশ এলপি গ্যাস।
সম্প্রতি ময়মনসিংহের প্রিমিয়ার আইডিয়াল হাই স্কুলে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকসহ প্রায় ১,০০০ জন সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো সাইফুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফ্রেশ এলপি গ্যাসের চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) আবু সাঈদ রাজা এবং প্রিমিয়ার আইডিয়াল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো চাঁন মিঞা।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো সাইফুর রহমান বলেন, “বাসাবাড়িতে এলপিজির ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই এর নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থী ও পরিবারকে এলপিজি ব্যবহারে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা দিতে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে যথাযথভাবে মোকাবিলা করতে সহায়তা করবে। মানুষের মধ্যে এলপিজি নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে এমন কার্যকর ও অর্থবহ উদ্যোগ আয়োজনের জন্য ফ্রেশ এলপি গ্যাসকে আমি সাধুবাদ জানাই।”
ফ্রেশ এলপি গ্যাসের সিএমও আবু সাঈদ রাজা বলেন, “বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এলপিজি অপারেটর হিসেবে আমরা মনে করি, এলপিজি নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা আমাদের দায়িত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলাদেশ জুড়ে এলপিজির ব্যবহার আরও সম্প্রসারণের মাধ্যমে একটি টেকসই ও সবুজ আগামী গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও পরিবারকে সহজ ও বাস্তব উপায়ে এলপিজির নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন করতে চাই, যাতে তারা দৈনন্দিন জীবনে আরও নিরাপদভাবে এলপিজি ব্যবহার করতে পারেন।”
অনুষ্ঠানে এলপিজি নিরাপত্তাবিষয়ক লাইভ প্রদর্শনী ও একটি ইন্টার্যাকটিভ থিওরিটিক্যাল প্রেজেন্টেশন সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এমজিআইয়ের ফায়ার সেফটি এক্সপার্টগণ অগ্নি নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় কৌশল ও জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় বিষয়ে ব্যবহারিক প্রদর্শনী করেন। পরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে বাড়িতে এলপিজির নিরাপদ ব্যবহার ও সঠিক ব্যবহারবিধি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়ে ইন্টার্যাকটিভ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
অংশগ্রহণকারীদের জন্য র্যাফেল ড্র ও উপহারের ব্যবস্থা ছিল, যা পুরো অনুষ্ঠানকে আরও আনন্দমুখর ও প্রাণবন্ত করে তোলে।
