সরকারি চাকরিতে প্রবেশ রাজনৈতিক আনুগত্যের বিষয় নয়

সরকারি চাকরিতে প্রবেশ রাজনৈতিক আনুগত্যের বিষয় নয়

ফন্ট সাইজ:

সরকারি চাকরিতে প্রবেশ রাজনৈতিক আনুগত্যের বিষয় নয় বলে মন্তব্য করেছেন- জামায়াত আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার বিকালে জামায়াত আমীরের ভেরিফায়েড এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান। ফেসবুক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে ভুল রাজনীতির খেলা থেকে সরে আসুন। মেধাকে সম্মান দিন। সরকারি চাকরিতে প্রবেশ রাজনৈতিক আনুগত্যের বিষয় নয়। একজন নাগরিক হিসেবে চাকরিপ্রার্থীর মেধা ও যোগ্যতাই হওয়া উচিত একমাত্র বিবেচ্য বিষয়।’

তিনি আরও লেখেন, ‘ভেরিফিকেশনের নামে ফ্যাসিবাদী আমলের এই অপকর্ম পরিত্যাগ করুন। ফ্যাসিবাদ আমলের অনুরূপ যেকোনো কূটতৎপরতা জনগণ সহ্য করবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে। মেধাবী যুবসমাজসহ তরুণদের নিজেদের অধিকার আদায়ে আবারও সোচ্চার হতে হবে। ছাড় দিলে বাংলাদেশ মেধাহীন ফ্যাসিবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত হবে। ছাড় দেয়ার কোনো অবকাশ নেই।’

ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়লো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের উপর: ওদিকে মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর-১ এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুর ও লুটপাট এবং গুঁড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় জামায়াত আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়লো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের উপর। গতকাল সকাল ১১টার দিকে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি একথা বলেন।

ওই পোস্টে জামায়াত আমীর বলেন, ‘মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর-১ এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। মুখোশপরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে লুটপাট চালানোর পর সেটি গুঁড়িয়ে দেয়। এবার ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়লো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের উপর। রাতের আঁধারে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি গুঁড়িয়ে দিয়ে সেখানে রহস্যজনক একটি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেয়া হয়েছে।’

প্রশ্ন রেখে তিনি আরও বলেন, ‘কোথায় প্রশাসন, কোথায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী? এর পেছনে কারা রয়েছে, তা আর মোটেই অস্পষ্ট নয়। তাদের পেটের ক্ষুধা কোনোভাবেই নিবারণ হচ্ছে না। তারাই জনগণের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার এই সুযোগটিকে নিশ্চিহ্ন করে দিলো। সরকার একদিকে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করছে। অন্যদিকে চলছে এই খেলা।’
জামায়াত আমীর বলেন, ‘আর কতোদিন এ ধরনের খেলা চলবে? দুষ্কৃতিকারীদের অবশ্যই খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তা না হলে একসময় জনগণের হাতেই তাদের শাস্তি পেতে হবে।