উপনিবেশোত্তর সমাজ ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রসঙ্গে

ইতিহাস, ভাষা ও শিক্ষার ঔপনিবেশিক রাজনীতি ১২

উপনিবেশোত্তর সমাজ ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রসঙ্গে

ফন্ট সাইজ:

ইংরেজ কোম্পানির জন্য কম মূল্যে মসলিন সরবরাহ করতে অস্বীকার করলে সংশ্লিষ্ট তাঁতীদের ওপর নেমে আসতো নির্মম নিপীড়ন। ফলে, অনেক তাঁতশ্রমিক এই সময়ে নিজেদের পেশা পরিত্যাগ করে বেকারে পরিণত হয়। অনেককে ইংরেজদের অত্যাচারের ভয়ে ঘরছাড়া হয়ে পালিয়ে বেড়াতে হয়। বাংলার ইতিহাসের এই পর্বে, ‘১৭৫৭ থেকে ১৭৬৩ সন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে, মসলিন উৎপাদনের এক-তৃতীয়াংশ কারিগর বনে-জঙ্গলে পালিয়ে জীবন বাঁচাতে চেষ্টা করে’।৭০ এভাবেই, ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির ঔপনিবেশিক বেদিতে বাংলার সমৃদ্ধ তাঁতশিল্প মুখ থুবড়ে পড়েছিল।

বাংলার উন্নত রেশম শিল্পও একদা বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছিল। ইংল্যান্ডসহ ইউরোপের অপরাপর দেশের রেশমশিল্প বাংলা রেশমশিল্পের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে ছিল। এমতাবস্থায়, বাংলার রেশম শিল্পকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে, ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির লন্ডন-ভিত্তিক ‘বোর্ড অব ডাইরেক্টরস’ বাংলায় তাদের কোম্পানি কর্মচারীদের কাছে, ১৭৬৯ সালের মার্চে, ‘বাংলায় রেশমবস্ত্রের উৎপাদন বন্ধ করে শুধু কাঁচা রেশম উৎপাদন করতে বাধ্য করার নির্দেশ’ দেয়। একজন ইংরেজ লেখককে উদ্ধৃত করে সুপ্রকাশ রায় লিখেছেন, কোম্পানির লন্ডনভিত্তিক কর্মকর্তারা ‘বঙ্গদেশে কোম্পানির কর্মচারীদের নিকট আরও নির্দেশ প্রেরণ করেন যে, যেসকল লোক রেশমগুটি হতে সুতা বাহির করে (নাগাউর), আর যাহারা রেশমী বস্ত্র বয়ন করে, তাহারা যাহাতে নিজেদের গৃহে বসিয়া স্বাধীনভাবে কার্য করিতে না পারে; আর কোম্পানির ফ্যাক্টরিতে কাজ করিতে বাধ্য হয়, তাহার জন্য কোম্পানির রাজনৈতিক ক্ষমতা [প্রকৃত অর্থে, সামরিক ক্ষমতা] ব্যবহার করিতে হইবে।’৭১ বলার অপেক্ষা রাখে না, ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তির কোপানলে পড়ে, বস্ত্রশিল্পের মতো, রেশমশিল্পও ধ্বংসকবলিত হয়েছিল। বাংলার লবণশিল্পের ভাগ্যেও একই কারণে অভিন্ন পরিণতি ঘটেছিল। স্পষ্টতই, আফ্রিকার মতো এশিয়াতেও ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তির অর্থনৈতিক স্বার্থে নানা স্থানীয় শিল্পের বিকাশের পথ রুদ্ধ হয়ে শেষ পর্যন্ত ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

আমরা আবার হেগেলের আলোচনায় ফিরে আসি। হেগেল ‘মহাবিশ্বকে’ এক ‘সুসংহত সমগ্র’ হিসেবে দেখেছেন, যার সহজাত উপাদান হলো ‘ভাব’ (ওফবধ) বা ‘যুক্তি’ (জবধংড়হ) বা ‘চেতনা’ (ঝঢ়রৎরঃ) বা ‘পরমভাব’ (অনংড়ষঁঃব)। তিনি মনে করেন, ‘চৈতন্য’ বা ‘যুক্তি’, যা কিনা ‘সার্বভৌম’, এই মহাবিশ্বকে পরিচালনা করে’।৭২ গোটা ‘প্রকৃতি’ এই ‘যুক্তিরই মূর্তিমান রূপ’।৭৩

হেগেলের মতে, ‘পৃথিবীর ইতিহাস একটি মননশীল [দ্বান্দ্বিক] প্রক্রিয়ায় বিকশিত হয়েছে’, আর এই ‘চৈতন্য’/‘যুক্তি’/‘পরমভাব’ একটি ‘আত্মসচেতন’ ও ‘স্বয়ম্ভু’ অস্তিত্ব, যা ইতিহাসকে মূর্তিমান ও বিকশিত করে।৭৪ এই ‘চৈতন্যের বিকাশই অতএব ইতিহাস’।৭৫

হেগেল লিখেছেন, ‘চৈতন্য আত্মসচেতন’, আর ‘ ‘চৈতন্যের নির্জাস হলো—মুক্তি, শুধু মুক্তির ভেতর দিয়েই কেবল চৈতন্যের গুণাগুণ অস্তিত্বমান থাকে’।৭৬ হেগেলের দর্শনে এই ‘চৈতন্য’, ‘আত্মসচেতনতা’ ও ‘মুক্তির’ প্রত্যয়গুলো পরস্পরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই প্রেক্ষিত থেকেই বিভিন্ন জনগোষ্ঠী বা বর্ণের স্তরানুক্রমতান্ত্রিক মর্যাদা ও ‘সভ্যতার বিকাশ’-সংক্রান্ত হেগেলের ইতিহাস-দর্শন উদ্ভূত হয়েছে।

রাজনৈতিকভাবে, এই ‘চৈতন্য’ ‘রাষ্ট্রের’ আকারে নিজেকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে, কিংবা অন্য কথায়, ‘রাষ্ট্রের’ ভেতর দিয়ে এই ‘চৈতন্য’ নিখুঁতভাবে অভিব্যক্ত হয়। হেগেলের বিশ্বাস, তার সমসাময়িক পৃথিবীতে, জার্মান রাষ্ট্রের মাধ্যমে এই ‘আত্মসচেতন চৈতন্য’ পরিপূর্ণ নিখুঁতভাবে নিজের অভিপ্রকাশ নিষ্পন্ন করেছিল। হেগেল মনে করেন, ‘চৈতন্যই ইতিহাসকে ধারণ করে’, কিন্তু ‘চৈতন্য হিসেবে, মানুষ যে মুক্ত—প্রাচ্যজনেরা এই জ্ঞান সম্পর্কে সচেতনতা অর্জন করেনি, আর যেহেতু এই জ্ঞান সম্পর্কে তারা অসচেতন, তারা অতএব মুক্ত নয়।’৭৭ হেগেলের যুক্তি অনুযায়ী, প্রাচ্যের এই ‘মুক্তিহীনতা’ অতএব ন্যায্য।

হেগেলের মতে, ‘ইতিহাস বৃত্তাকারে নিজেকে আবর্তিত করে না’ কিন্তু, ‘আপেক্ষিক অর্থে’, তার একটা পূর্ব-পশ্চিম আছে। তিনি বলেন, “ইতিহাসের সূর্য কেবল এক অচেতন সত্তা হিসেবে পূর্বে [অর্থাৎ এশিয়ায়] উদিত হয়েছে, কিন্তু পশ্চিমে [অর্থাৎ ইউরোপে] অস্ত যাওয়ার সময় এই সূর্য আত্মসচেতন, ফলে এখানে সে মহত্ত্বর ঔজ্জ্বল্য বিকিরণ করে।”৭৮ কী অদ্ভুত বর্ণবাদী ইতিহাস-দর্শন।

হেগেল মানেন যে, এশিয়ায় ইতিহাসের সূর্য উদিত হয়েছে, এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত ‘ভারতবর্ষ ইতিহাসের সঙ্গে নানা সম্পর্কে জড়িত’, নানা উন্নততর বিকাশের মাধ্যমে গর্বিত ‘ইউরোপীয় ভাষাসমূহের ভিত্তি হিসেবে ভারতের সংস্কৃত ভাষা’ মৌলিক অবদান রেখেছে, কিন্তু তিনি দাবি করেন, ‘ভারতীয় সংস্কৃতির বিস্তার প্রাগৈতিহাসিক— ঐতিহাসিক নয়’, কারণ সেখানে ‘চৈতন্যের সেই পরিমাণ বিকাশ ঘটেনি, যা কোনো যুগান্তর সৃষ্টিতে সক্ষম’। হেগেলের মতে, ‘ভারতীয় সংস্কৃতির বিস্তার মূক এক অকর্মণ্য সম্প্রসারণ ছাড়া কিছু নয়’, কেননা ‘এই সংস্কৃতি কোনো ক্রিয়াকাণ্ডের প্রণোদনা সৃষ্টি করে না’। এই দাবির প্রমাণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘ভারতের জনগণ কখনোই কোনো দেশ জয় করেনি, বরং বিদেশি অভিযানের মুখে প্রতিবারই পরাজয় বরণ করেছে।’৭৯ হেগেল এমনকি ভারতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের দার্শনিক ন্যায্যতা জুগিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “ইংরেজরা, বরং বলা উচিত [ব্রিটিশ] ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, এখন এই ভারতীয় ভূখণ্ডের প্রভু, কারণ ইউরোপীয়দের পদানত হওয়া এশীয় সাম্রাজ্যগুলোর জন্য এক প্রয়োজনীয় নিয়তি।”৮০ একই সঙ্গে চীন সম্পর্কে বলতে গিয়ে হেগেল লিখেছেন, ‘চীনকেও কোনো-না-কোনো দিন এই অপরিহার্য ভাগ্য বরণ করতে হবে’। আফ্রিকা ও এশিয়ায় ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শাসনের পক্ষে এর চেয়ে বেশি সাফাই আর কী হতে পারে?

একথা সত্য যে, হেগেলের মৃত্যুর ২৫ বছর পর, ১৮৫৭ সালে, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শক্তির অন্যায় ও অন্যায্য আক্রমণের মুখে, চীন ইংরেজের কাছে তার ক্যান্টন নগরীর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল। আবার, এ ঘটনার তিন বছর পর, ১৮৬০ সালে, ব্রিটিশ আগ্রাসী শক্তির সঙ্গে আরেক যুদ্ধে চীন তার পিকিং নগরীর নিয়ন্ত্রণও হারিয়েছিল। কিন্তু চীনের সেই ‘পরাজয়’, ভারতবর্ষের মতোই, মোটেও ‘নিয়তিনির্দিষ্ট’ কোনো চিরস্থায়ী প্রপঞ্চ ছিল না, আর প্রয়াত হেগেলের জীবিত উত্তরসূরিগণ সমকালীন বিশ্বব্যবস্থায় চীনের শক্তিমান উত্থান দেখে তা নিশ্চয় অস্বীকার করবেন না।

যা-ই হোক, আমরা ইতিমধ্যেই দেখেছি, আফ্রিকা সম্পর্কে হেগেলের দাবি হলো, ‘ইতিহাস’ হিসেবে বিকশিত ‘চেতনা’ আফ্রিকাকে স্পর্শ করেনি। ফলে আফ্রিকার কোনো ইতিহাস নেই— তার অস্তিত্ব অতএব ‘অনৈতিহাসিক’। ওদিকে, ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে হেগেলের বক্তব্য হলো, এখানে ‘ইতিহাস খোঁজার প্রশ্নটিই অবান্তর’।৮১ হেগেলে লিখেছেন, “সম্প্রতি আবিষ্কৃত ভারতীয় সাহিত্যের ভাণ্ডার থেকে দেখা যায়, হিন্দুরা জ্যামিতি, জ্যোতির্বিজ্ঞান আর বীজগণিত চর্চায় কী অসামান্য খ্যাতি অর্জন করেছে, দর্শনচর্চায়ও তারা প্রভূত অগ্রগতি সাধন করেছে, আর তাদের ব্যাকরণ চর্চার উৎকর্ষের ভিত্তিতে বলা যায় যে, সংস্কৃত ভাষার মতো পরিপূর্ণভাবে বিকশিত অন্য কোনো ভাষা নেই, কিন্তু হিন্দুদের মধ্যে ইতিহাস চর্চার ব্যাপারটি একেবারেই উপেক্ষিত— বলা যায় পুরোপুরি অস্তিত্বহীন।”৮২
কেন?

হেগেলের উত্তর হলো, ‘ইতিহাস চর্চার জন্য প্রয়োজন হয় মননশীলতা—কোনো বস্তুকে স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিতে দেখবার এবং তাকে অন্যান্য বস্তুর সুশৃঙ্খল আন্তঃসম্পর্কের ভিত্তিতে বোঝার সামর্থ্য। ফলে, শুধু তারাই ইতিহাস চর্চার ও সাধারণভাবে গদ্য রচনার, উপযুক্ত, যারা তাদের সামষ্টিক বিকাশের এমন পর্যায়ে উপনীত হয়েছে, যেখানে, ‘ব্যক্তি’ হিসেবে, তারা নিজেদের আপন আপন অস্তিত্বকে স্বাধীন সত্তা হিসেবে অনুধাবন করতে পারে, অর্থাৎ যে আত্মসচেতন—নিজের সচেতন সত্তাকে ধারণ করে।’৮৩ হেগেল মনে করেন, হিন্দুদের মধ্যে এই দার্শনিক ‘চেতনা’ অনুপস্থিত, যা ‘তাদের ইতিহাস রচনায় অসমর্থ করে রেখেছে’।
উপনিবেশিত ভারতের জনগণ সম্পর্কে, বিশেষত তার বিশাল হিন্দু জনগোষ্ঠী সম্পর্কে হেগেল অত্যন্ত রূঢ় মন্তব্য করেছেন। এরা স্বেচ্ছায় ডুবে ও পুড়ে মরে, এমন ঢালাওভাবে অভিযোগ উপস্থাপন করে, তিনি লিখেছেন, ‘হিন্দুদের ভেতর জীবনের মূল্য সম্পর্কিত কোনো নৈতিকতা খুঁজে পাওয়া যায় না।’৮৪ ওদিকে, বিশেষভাবে, হিন্দু ব্রাহ্মণ পণ্ডিতদের ব্যাপারে হেগেলের অভিমত হলো, তারা ‘প্রতারক’— ‘সত্য প্রকাশের কর্তব্য সম্পর্কে তারা বিবেকের তাড়না বোধ করে না’। তিনি দাবি করেছেন যে, একদল ব্রাহ্মণ পণ্ডিত একদা তাদের ব্রিটিশ নিয়োগকর্তার মনতুষ্টির জন্য সংস্কৃত ভাষায় রচিত অনেক পুরনো পাণ্ডুলিপির কপট অনুবাদ হাজির করেছিলেন।৮৫

এখানে কালোদের প্রতি অন্তত আরও দুজন প্রভাবশালী ইউরোপীয় বুদ্ধিজীবীর ঘোর বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গি অতি সংক্ষেপে হলেও তুলে ধরা জরুরি। প্রথমেই প্রভাবশালী ফরাসি বুদ্ধিজীবী ব্যারন দ্য মঁতেস্কুর (১৬৮৯-১৭৫৫), যিনি আধুনিক রিপাবলিকের ‘ক্ষমতার পৃথক্করণের তত্ত্ব¡’ নির্মাণের জন্য জগৎবিখ্যাত হয়ে রয়েছেন, দৃষ্টিভঙ্গি বিচার করা যাক। মঁতেস্কু সাধারণভাবে বিশ্বাস করতেন যে, ‘প্রতিটি মানুষ জন্মগতভাবে সমান’,৮৬ কিন্তু পশ্চিমাদের দ্বারা ‘নিগ্রোদের দাসে পরিণত করার ঘটনাকে’ তিনি জায়েজ মনে করেছেন, কেননা ‘[আফ্রিকায়] চিনি উৎপাদনের জন্য বিপুল পরিমাণ জমি পরিষ্কার করার প্রয়োজনে’ উপনিবেশবাদী শ্বেতাঙ্গরা ‘এই দাসদের ব্যবহার না করলে, চিনি খুবই ব্যয়বহুল হয়ে পড়তো।’৮৭ স্পষ্টতই, চিনি উৎপাদনের জন্য আখের চাষে দাস হিসেবে ব্যবহৃত আফ্রিকার কালো মানুষদের প্রতি তার এই দৃষ্টিভঙ্গি ছিল ভয়ঙ্কর রকমের বর্ণবাদী।

তথ্যসূত্র:
৭০. আমজাদ হোসেন, বাংলাদেশের কৃষক আন্দোলনের ইতিহাস, পৃষ্ঠা: ১২
৭১. সুপ্রকাশ রায়, ভারতের কৃষক-বিদ্রোহ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রাম, পৃষ্ঠা: ১০০
৭২. Georg W. F. Hegel, Introduction, The Philosophy of History, pp. 9, 11, 14
৭৩. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ১২
৭৪. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ১০
৭৫. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ২২
৭৬. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ১৭
৭৭. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ১৮
৭৮. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ১০৩-১০৪
৭৯. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ১৪১-১৪২
৮০. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ১৪৩
৮১. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ১৬১
৮২. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ১৬১-৬২
৮৩. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ১৬২
৮৪. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ১৫০
৮৫. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ১৬৪
৮৬. Montesquicu, The Spirit of the Laws, p. 252
৮৭. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ২৫০